
নির্বাচিত সরকারকে বিপাকে ফেলা ও দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এ ধরনের তৎপরতার অংশ হিসেবে কেউ কেউ নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
বুধবার রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ কর্মসূচির আগে দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন রিজভী।
তিনি বলেন, ‘একটি নির্বাচিত সরকারকে ঝামেলায় ফেলার জন্য এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য পতিত দোসররা নানাভাবে কাজ করছে। তারা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হচ্ছে। এ বিষয়ে সবাইকে সাবধান থাকতে হবে।’
সম্প্রতি পুলিশের ভ্যান থেকে একজন শীর্ষ সন্ত্রাসীর পালিয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, ‘পুলিশের ভ্যান থেকে কীভাবে একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী পালিয়ে যেতে পারে?’ এ ধরনের ঘটনায় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার জনগণের সরকার। নৈরাজ্য, অপরাধ কিংবা জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়—এমন কোনো কর্মকাণ্ড সরকার প্রশ্রয় দেবে না।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, আগে থেকেই সচেতন হলে ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এ জন্য ব্যক্তি, পরিবার, সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও সরকারি সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, বাড়ির আশপাশসহ বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ করতে হবে। ময়লা ও পচা পানি জমতে দেওয়া যাবে না। ডেঙ্গুর প্রজননস্থল তৈরি হওয়ার আগেই এসব পানি পরিষ্কার করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
ডেঙ্গু পরীক্ষার খরচ প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, আগে পরীক্ষার জন্য ৫০ টাকা নেওয়া হলেও বর্তমানে বিনা মূল্যে ডেঙ্গু পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এটিকে সরকারের একটি উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
নিজ নিজ বাড়ি, কর্মস্থল ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি কোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণের আহ্বান জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।


