
অনলাইনে পরিচয়ের পর প্রেম। প্রায় সাড়ে তিন মাসের সম্পর্কের পর প্রেমিকাকে বিয়ে করতে চীন থেকে টাঙ্গাইলের সখীপুরে ছুটে এসেছিলেন ডং লিয়াং (৪১)। তবে প্রেমিকার পরিবার ও স্থানীয়দের আপত্তিতে শেষ পর্যন্ত তাকে ঢাকায় চীনা দূতাবাসে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সখীপুরের বাগবেড় গ্রামে প্রেমিকা আশিতার (২৪) বাড়িতে আসেন ডং লিয়াং। তাকে দেখতে সেখানে শত শত মানুষ জড়ো হন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ‘ওয়ার্ল্ড টক’ অ্যাপের মাধ্যমে আশিতা ও লিয়াংয়ের পরিচয় এবং পরে প্রেমের সম্পর্ক হয়। লিয়াং খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী। আশিতা ডিভোর্সি এবং তাঁর তিন বছরের একটি ছেলে রয়েছে। দুজনের সম্মতিতেই বিয়ের সিদ্ধান্ত হয়েছিল বলে জানান তারা।
আশিতা বলেন, লিয়াং তাকে বিয়ে করে চীনে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন। সম্পর্কের পর লিয়াং বাংলাদেশে আসার বিষয়টি তাকে মেসেজে জানান।
লিয়াং বলেন, তাকে বিয়ে করতে হলে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে হবে—এমন শর্ত দেওয়া হয়েছিল। তবে দুজনের ইচ্ছাতেই বিয়ের সিদ্ধান্ত হয়েছিল বলে জানান তিনি।
আশিতার চাচাতো ভাই আনোয়ার হোসেন আনন্দ বলেন, আশিতা যাতে প্রতারণার শিকার না হন, সে জন্য পরিবার ও স্থানীয়রা বৈঠক করে চীনা যুবককে ঢাকায় চীনা দূতাবাসে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
সখীপুর থানার ওসি মো. মুরাদ হোসেন বলেন, স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছিল। পরে স্থানীয়দের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওই যুবককে ঢাকায় চীনা দূতাবাসে পাঠানো হয়েছে বলে তাঁকে জানানো হয়।


