‘ডুমুরিয়ার জলনিষ্কাশনে গুরুত্বপূর্ণ খালগুলোর সরকারি ইজারা অবিলম্বে বাতিল করা ও সকল প্রকার অবৈধ দখল মুক্ত করে জনস্বার্থে ব্যবহারের ব্যবস্থা করা হবে। তাছাড়া পলি অপসারণ করে স্লুইচ গেটগুলো সচল করতে হবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান‘র সরকার সারাদেশে খাল খননের যে মহতি কর্মসূচি নিয়েছে, তার যথাযথ ব্যবহার করে এ অঞ্চলের কৃষকের ধান-মাছ-সবজি চাষের সুব্যবস্থা করা হবে। আর খাল খনন কাজে কোনো প্রকার অনিয়ম বা দূর্নীতি সহ্য করা হবে না। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী কৃষকের কথা বিবেচনা করে ১০ হাজার টাকা কৃষি ঋণ মৌকুফ করেছেন।‘
‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন‘ কর্মসূচির আওতায় ডুমুরিয়া উপজেলার গুটুদিয়া ইউনিয়নের টিয়াবুনিয়া খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল এম.পি এসব কথা বলেন।
খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. মোখতার আহমেদ‘র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যদেন খুলনার ডিআইজি মো. রেজাউল হক, খুলনা জেলা প্রশাসক আ.স.ম. জামসেদ খোন্দকার, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক এস.এম মনিরুল হাসান বাপ্পি, পাউবো‘র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ড. মো. আবুল বাশার, খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জল কুমার সেন। ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবিতা সরকার সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। উল্লেখ্য, টিয়াবুনিয়া বিলের ১.৭ কিলোমিটর খালটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে ৩৮.৭৫ লাখ টাকা খরচে খনন করবেন ঠিকাদার নাসির উদ্দন মোল্লা।
প্রধান অতিথি বকুল তার বক্তৃতার শুরুতেই উপস্থিত টিয়াবুনিয়া বিলের ধান-মাছ-সবজি চাষিদের কাছে খাল খননের প্রয়োজনিয়তা, সমস্যা ও সমাধানের বিষয়ে সরাসরি মতামত জানতে চান। ওই সময় টিয়াবুনিয়া বিলের সবজি চাষি আঞ্জুয়ারা বেগম বলেন, গত ৩ বছর ধরে জলাবদ্ধতার কারণে আমরা ধান-মাছ-সবজি কত্তি পাত্তিছিনে। খাল খাটলি এইবার যদি হয়, তালি আমরা বাঁচপানে।‘ রানু মন্ডল বলেন, এই বিলের পানি যায় শোলমারী নদী দিয়ে। পলি পড়ে সেই নদী মরে গেছে। আগে সেই ব্যবস্থা করতি হবে। এ সময় আরও কয়েকজন দাড়িয়ে অবিলম্বে এই বিলের খালগুলোকে অবৈধ দখল মুক্ত করার দাবি জানান।


