সব কিছু
facebook channelkhulna.tv
খুলনা শুক্রবার , ১৪ই ভাদ্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ২৯শে আগস্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
টাকা দিলাম, তারপরও আমার নামে কেস হলো | চ্যানেল খুলনা

দুই সাক্ষীর জবানবন্দি

টাকা দিলাম, তারপরও আমার নামে কেস হলো

পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমান ও দুদক পরিচালক এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে আরও দুইজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাক্ষীরা হলেন- ডিআইজি মিজানের অর্ডারলী কনস্টেবল সাদ্দাম হোসেন এবং ডিআইজি মিজানের স্ত্রীর দোকানের কর্মচারী রফিকুল ইসলাম।

রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলমের আদালতে তারা সাক্ষ্য দেন। তাদের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আগামী ১২ অক্টোবর সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন।

জবানবন্দিতে কনস্টেবল সাদ্দাম হোসেন বলেন, ২০১৯ সালের ১৫ জানুয়ারি ডিআইজি মিজানের উত্তরার বাসা থেকে সাদ্দাম হোসেন দুইটি ব্যাগ (একটি বাজারের ব্যাগ) সন্ধ্যার আগ মুহূর্তে গাড়িতে তুলে দেন। ব্যাগে ২৫ লাখ টাকা ও কিছু বই ছিল। পরে ডিআইজি মিজান সাদ্দাম হোসেনকে রাজারবাগ নামিয়ে দেওয়ার জন্য গাড়িতে তোলেন। কিন্তু ডিআইজি মিজান সাদ্দাম হোসেনকে নিয়ে রমনা পার্কের সামনে আসেন। কিছুক্ষণ পরে সেখানে একজন লোক আসেন। তাকে ২৫ লাখ টাকা ভর্তি ব্যাগটি দেন ডিআইজি মিজান। লোকটি যাওয়ার পর সাদ্দাম ডিআইজি মিজানের কাছে জিজ্ঞাসা করেন, লোকটি কে স্যার? তখন ডিআইজি মিজান তাকে বলেন লোকটি দুদক কর্মকর্তা এনামুল বাছির।

কনস্টেবল সাদ্দাম হোসেন আরও জানান, এরপর আবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ডিআইজি মিজানের স্যারের বাসা থেকে একটি শপিং ব্যাগ ও একটি হ্যান্ডবল গাড়িতে তুলে দেন সাদ্দাম হোসেন। ব্যাগে টাকা ছিল। ব্যাগে ১৫ লাখ টাকা ছিল। সেদিনও রমনা পার্কের সামনে দুদক কর্মকর্তা এনামুল বাছিরকে টাকার ব্যাগ দেন ডিআইজি মিজান।

তিনি আরও বলেন, গত ৩০ মে গুলশান পুলিশ প্লাজায় ডিআইজি মিজান যান। এনামুল বাছির সেখানে আসেন। তারা সেখানে কথা বলেন। এনামুল বাছির ডিআইজি মিজানকে বলেন, আপনার মামলায় কোনো কাগজপত্র নেই। আপনার কিছু হবে না।’

দোকান কর্মচারী রফিকুল ইসলাম তার জবানবনন্দিতে বলেন,‘২০১৯ সালে গুলশান পুলিশ প্লাজায় আসেন এনামুল বাছির। তখন ডিআইজি মিজান তাকে বলেন, টাকা দিলাম, তারপরও আমার নামে কেস হলো। এই কথোপকথনের পর তারা বের হয়ে যান।

এনিয়ে মামলাটিতে ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।

২০১৯ সালের ১৬ জুলাই ৪০ লাখ টাকার ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্লাহ বাদী হয়ে মামলা করেছিলেন। গত ১৯ জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন শেখ মো. ফানাফিল্লাহ।

https://channelkhulna.tv/

আইন ও অপরাধ আরও সংবাদ

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর অর্থ আদায়কারী গ্রেপ্তার : পিস্তলের কার্তুজ ও নগদ অর্থ উদ্ধার

রূপসায় সাব্বির হত্যা মামলার প্রধান আসামি হাফিজসহ গ্রেপ্তার ৪

খুলনায় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি গ্রেফতার

অবশেষে কুয়েটে মঙ্গলবার থেকে ক্লাস শুরু

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসিসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

মিটফোর্ডের ঘটনায় জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চ্যানেল খুলনা মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন  
সম্পাদক: মো. হাসানুর রহমান তানজির
It’s An Sister Concern of Channel Khulna Media
© ২০১৮ - ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | চ্যানেল খুলনা.বাংলা, channelkhulna.com.bd
যোগাযোগঃ ৫ কেডিএ বানিজ্যিক এলাকা, আপার যশোর রোড, খুলনা।
প্রধান কার্যালয়ঃ ৫২/১, রোড- ২১৭, খালিশপুর, খুলনা।
ফোন- 09696-408030, 01704-408030, ই-মেইল: channelkhulnatv@gmail.com
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য অধিদফতরে অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।