
খুলনা মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেছেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক অবিসংবাদিত নেত্রী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। আপসহীন নেতৃত্ব, ত্যাগ ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তিনি এ দেশের রাজনীতিতে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন।
বেগম খালেদা জিয়াকে হারিয়ে জাতি আজ এক অপূরণীয় ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে। তিনি শুধু একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রী ছিলেন না, বরং গণতন্ত্রকামী মানুষের আশার প্রতীক ছিলেন। তাঁর আদর্শ ও দেশপ্রেম আগামী প্রজন্মের রাজনীতিকদের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে। বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে খুলনা মহানগর বিএনপির উদ্যোগে আগামী ১৪ জানুয়ারি, বুধবার খুলনা নগরীর শহীদ হাদিস পার্কে আয়োজিত নাগরিক শোকসভা ও দোয়া মাহফিল সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সোমবার (১২ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় কেডি ঘোষ রোডস্থ বিএনপি কার্যালয়ে এক প্রস্তুতি সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এডভোকেট শফিকুল আলম মনা’র সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন’এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় বক্তারা বক্তারা আরও বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক। তাঁর নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলন সংগ্রাম বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। নেতৃবৃন্দ নাগরিক শোকসভাকে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে সফল করার জন্য দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে খুলনা মহানগরের সকল থানা, ওয়ার্ড, ইউনিট এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু, থানা সভাপতি কে এম হুমায়ূন কবির, সেখ হাফিজুর রহমান মনি, মুর্শিদ কামাল, থানা সাধারন সম্পাদক মোল্লা ফরিদ আহমেদ, শেখ ইমাম হোসেন, আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, আসাদুজ্জামান আসাদ, মুক্তিযোদ্ধা দলের বীর মুক্তিযোদ্ধা আলমগীর হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াহিদুর রহমান, যুবদলের শেখ আব্দুল আজিজ সুমন, জাসাসের ইঞ্জিনিয়ার নুর ইসলাম বাচ্চু, কৃষক দলের আখতারুজ্জামান তালুকদার সজীব, স্বেচ্ছাসেবক দলের মিরাজুর রহমান মিরাজ, তাঁতী দলের আবু সাঈদ শেখ, ওলামা দলের মাওলানা মোঃ আবু নাঈম কাজী, মহিলা দলের এ্যাড: হালিমা আক্তার খানম, কে এম এ জলিল, ইস্তিয়াক আহম্মেদ, হাফেজ মোঃ আল-আমিন, মো. শফিকুল ইসলাম শফি, শেখ আদনান ইসলাম দীপ, জাকির ইকবাল বাপ্পী , মোঃ নাসির উদ্দিন, ইফতেখার হোসেন বাবু, মাসুদউল হক হারুন, মোল্লা মশিউর রহমান, মোঃ শফিকুল ইসলাম, মোঃ সালাউদ্দীন মোল্লা (বুলবুল), গাজী আফসার উদ্দীন, এস এম নুরুল আলম দিপু, শেখ মোস্তফা কামাল, আজিজুর রহমান, শেখ আব্দুল আলীম, শেখ মনিরুজ্জামান মনি, শেখ হাবিবুর রহমান, মোঃ মাহমুদ আলম মোড়ল, হায়দার আলী তরফদার, মোঃ বেলায়েত হোসেন, মোঃ হুমায়ূন কবির, লিয়াকাত হোসেন লাভলু, মোঃ জয়নাল আবেদিন, ইকবাল হোসেন মিজান, শেখ আলমগীর হোসেন, মোঃ নুরুল ইসলাম, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, মোঃ বায়েজিদ, মঞ্জুরুল আলম, জুয়েল খান, মোঃ নাজমুস সাকিব, মোঃ সওগাতুল আলম ছগীর, মোঃ আমিন আহমেদ,মোঃ শওকত আলী বিশ্বাস লাবু, সাইফুল ইসলাম, মোঃ আবুল ওয়ারা, মোঃ কামরুজ্জামান রুনু, মোঃ আরিফুল ইসলাম বিপ্লব, খন্দকার ইকবাল কবীর, শেখ আনসার আলী, মোঃ রাসেলুজ্জামান, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মীর শওকত হোসেন হিট্টু, মোঃ রফিকুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর কবির, শেখ মোঃ মফিজুর রহমান, শেখ সরোয়ার, জামির হোসেন দিপু, মোঃ মুরাদ হোসেন, মোঃ মফিজুল সরদার, সৈয়দ আজাদ হোসেন, শেখ মেহেদী হাসান, বাবুল রানা, মোঃ সোহরাব মোল্লা, মোঃ ইয়াছিন মোল্লা, আব্দুল কাদের মল্লিক, শেখ মনিরুল ইসলাম, মোঃ বক্কর মীর, মোঃ আলী আফজাল, ডাঃ শাহিন আহসান, মোঃ আসমত আলী, জাহাঙ্গীর কবির, মোঃ হালিম শেখ প্রমূখ।


