
মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের মোড় বদল ঘটেছে। দীর্ঘদিনের বৈরিতা কাটিয়ে ইরানের ওপর থেকে বিতর্কিত সব অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের এই নাটকীয় ঘোষণার পরপরই দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে লেবানন সীমান্তেও লড়াইয়ে লাগাম টানা হয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের এই দ্বিমুখী পদক্ষেপকে মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং বৈশ্বিক উত্তেজনা প্রশমনের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
এসব ঘটনা এমন এক সপ্তাহান্তের পর ঘটেছে যা সপ্তাহখানেক আগের চুক্তিটিকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছিল বলে মনে হচ্ছিল। লেবাননে ইসরায়েলি হামলা চলতে থাকায় সমঝোতা চুক্তির প্রথম অনুচ্ছেদের লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিল আর তেহরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রণালিটি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প আবার যুদ্ধ শুরু করার হুমকি দিয়েছিলেন।
কিন্তু তেমন কিছু না ঘটে ঘটনাপ্রবাহ শান্তি চুক্তির দিকে এগোতে থাকায় সোমবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে ট্যাঙ্কার চলাচল বাড়তে শুরু করেছে আর তেলের দাম কমতে শুরু করেছে বলে রয়টার্স জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, সুইজারল্যান্ডে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় চূড়ান্ত শান্তি চুক্তির জন্য একটি ভালো ভিত্তি স্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। তবে ইরান জানিয়েছে, অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা হলেও তারা তাদের পারমাণবিক কর্মসূচী নিয়ে কোনো আলোচনা শুরু করেনি।


