
দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের সম্ভাবনা ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়ে ফিলিস্তিনের জন্য নতুন করে ১০ কোটি ডলারের সহায়তা ঘোষণা করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি।
মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে এ সহায়তার ঘোষণা দেন তিনি। ঘোষিত অর্থের মধ্যে ৮ কোটি ডলার মানবিক সহায়তায় এবং বাকি ২ কোটি ডলার নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রমে ব্যয় করা হবে। এর আওতায় পশ্চিম তীরে পুলিশ প্রশিক্ষণের একটি প্রকল্পও রয়েছে।
২০২৩ সালের অক্টোবরে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ফিলিস্তিনের বেসামরিক জনগণের জন্য কানাডা ৬০ কোটি ডলারের বেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
কার্নি বলেন, গাজায় ফিলিস্তিনিরা ‘অপরিসীম মানবিক দুর্ভোগের’ মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। একই সঙ্গে হামাস, ইরান ও তাদের মিত্রদের কাছ থেকে ইসরায়েল ‘অস্তিত্বের হুমকির’ মুখে রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে চলতি সপ্তাহে কানাডার পার্লামেন্টে উপস্থাপিত কয়েকটি নথিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ও বসতিস্থাপনকারীদের কর্মকাণ্ডে কানাডার অর্থায়নে পরিচালিত কয়েক ডজন সহায়তা প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
চলতি মাসের শুরুতে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য যৌথভাবে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিগুলো থেকে পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেয়। বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতার বিষয়টি উল্লেখ করে এ পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানায় দেশ দুটি।
মঙ্গলবার ইসরায়েলের পরিকল্পিত ‘ই-ওয়ান’ বসতি প্রকল্প নিয়েও কথা বলেন কার্নি। সমালোচকদের মতে, ওই এলাকায় বসতি নির্মাণ করা হলে পশ্চিম তীর কার্যত দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়তে পারে।


