
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য, খুলনা মহানগর আমীর ও খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেছেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ছাত্রসমাজের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে। যখনই বাংলাদেশ সংকটের মুখোমুখি হয়েছে, তখনই তরুণরা ঢাল হিসেবে দাঁড়িয়েছে। অতীতের মতো আগামীতে একটি ইনসাফের বাংলাদেশ বিনির্মানে তরুণ ছাত্রসমাজকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।” কেন্দ্রঘোষিত বিশেষ ছাত্রসংযোগ মাস উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নগরীর শহীদ মুন্সী আব্দুল হালিম মিলনায়তনে সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের খুলনা মহানগর শাখা আয়োজিত কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি আরাফাত হোসেন মিলনের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি রাকিব হাসানের পরিচালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর খুলনা অঞ্চল টিম সদস্য ও সাবেক কাউন্সিলর মাস্টার শফিকুল আলম এবং ছাত্রশিবিরের সাবেক মহানগর সভাপতি ও মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আজিজুল ইসলাম ফারাজী। সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহানগর দপ্তর সম্পাদক ইসরাফিল হোসেন, সাহিত্য সম্পাদক আহমেদ সালেহীন, প্রচার সম্পাদক এস এম বেলাল হোসেন, এইচআরডি সম্পাদক কামরুল হাসান, প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুর রশিদ, ছাত্র অধিকার সম্পাদক ইমরানুল হক, পাঠাগার সম্পাদক সেলিম হোসেন, ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক গোলাম মুয়িজ্জু, মাদরাসা সম্পাদক হাফেজ মুজাহিদুল হক, বিজ্ঞান সম্পাদক জে আই সাবিত, স্কুল সম্পাদক আদনান মল্লিক যুবরাজ, গবেষণা সম্পাদক ফারহান তূর্য, ক্রীড়া সম্পাদক সুলাইমান আবিদ, সমাজসেবা সম্পাদক হাফেজ নাঈম হোসাইন প্রমুখ।
অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান আরও বলেন, “ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশকে জুলাই স্পিরিটের আলোকে পরিচালনা করতে সৎ ও দেশপ্রেমিক বাংলাদেশপন্থী শক্তিকে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী করার বিকল্প নাই। ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী ও জুলাই চেতনাকে ধারণ করে এমন ব্যক্তিদেরকে বেছে নেওয়ার মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ সঠিক পথে পরিচালিত হবে।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাস্টার শফিকুল আলম বলেন, “নেতৃত্বের আমূল পরিবর্তনই দ্বীন ইসলামের মূল লক্ষ্য। ইনসাফের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই কেবল সাধারণ জনগণের অধিকার আদায় করা সম্ভব। সমাজের সকল স্তরে যদি সৎ নেতৃত্ব শাসনভার গ্রহণ করে, তবেই জনগণের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।


