
গ্রেপ্তারের ১০ দিনের মধ্যেই সব মামলায় জামিন পেয়েছেন খুলনার আলোচিত যুবলীগ নেতা শওকত হোসেন ওরফে কালা শওকত। গত ৫ মার্চ ঢাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে খুলনা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। সোমবার (১৬ মার্চ) সব মামলায় জামিন পান তিনি। তবে রিলিজ অর্ডার দেরিতে পৌঁছানো এবং ছুটির কারণে তার মুক্তি মেলেনি।
খুলনা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক তৈমুর ইসলাম বলেন, শওকতের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুসহ একাধিক মামলা হয়েছিল। দেড় বছর পালিয়ে থাকার পর গত ৫ মার্চ রাতে রাজধানীর পলওয়েল মার্কেট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জামিনের নথিতে আইনজীবী হিসেবে সফিউল আলমের নাম লেখা রয়েছে। মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এ ব্যাপারে কিছু জানেন না বলে দাবি করেন।
এক পর্যায়ে তিনি বলেন, সফিউল আলম নামে অন্য কেউ হতে পারে। আইনজীবী সমিতির সদস্য তালিকায় আর কোনো সফিউল আলম পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।
খুলনা মহানগর দায়রা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি এ কে এম শহিদুল আলম বলেন, জামিনের বিষয়টি আমার জানা নেই। আদালতে খোঁজ না নিয়ে কিছু বলতে পারছি না। এত দ্রুত জামিন উচ্চ আদালত ছাড়া সম্ভব না।
প্রবীণ আইনজীবী ও সচেতন নাগরিক কমিটির সাবেক সভাপতি কুদরত ই খুদা বলেন, মামলা বুঝে জামিন দেওয়া আদালতের এখতিয়ার। তবে এ ধরনের জামিন প্রমাণ করে আইনের যে শাসন আমরা প্রত্যাশা করি, সেটা এখনও অনেক দূরে।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান বলেন, শওকতের গ্রেপ্তার পুলিশের বড় অর্জন ছিল, অনেকে ফোন করে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। জামিনের বিষয় পুরোপুরি আদালতের এখতিয়ার। এখানে আমাদের কিছু বলার নেই।


