
কোয়ার্টার ফাইনালের বাধা পেরিয়ে এবার সেমিফাইনালের দিকে চোখ আর্জেন্টিনার। শেষ চারে আলবিসেলেস্তেদের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। তবে প্রতিপক্ষ নিয়ে মোটেও চিন্তিত নন আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি। তার লক্ষ্য, মাঠে নিজেদের সেরা ফুটবল খেলা।
কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শেষ দল হিসেবে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। এর আগেই নরওয়েকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ চারে জায়গা করে নেয় ইংল্যান্ড।
ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আগামী ১৫ জুলাই বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় আটালান্টা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড।
সেমিফাইনাল নিয়ে স্কালোনি বলেন, ‘প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড হোক বা নরওয়ে, তাতে কিছু যায় আসে না। আমরা এমন একটি দলের মুখোমুখি হব, যারা খুব ভালো ফুটবল খেলে এবং তাদের একজন দারুণ কোচ আছেন। এখন আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন শক্তি ফিরে পাওয়া। সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষাই দিতে হয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের। অ্যালেক্সিস ম্যাক আলিস্তারের গোলে ৬৬ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। পরে ডান এনদয়ের গোলে সমতায় ফেরে সুইজারল্যান্ড।
নির্ধারিত সময়ে আর কোনো গোল না হলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানে আর্জেন্টিনার হয়ে গোল করেন হুলিয়ান আলভারেস ও লাউতারো মার্তিনেস। শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের জয় নিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে আলবিসেলেস্তেরা।
ম্যাচ নিয়ে স্কালোনি বলেন, ‘আমাদের ভুগতে হয়েছে। জানতাম তারা খুবই শারীরিক শক্তিনির্ভর দল। আমাদের কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলেছিল এবং কিছু মুহূর্তে আমরা সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারিনি। ভাগ্য আমাদের পক্ষে ছিল, কারণ তাদের একজন খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখেছিল। তখনই আমরা আক্রমণে যেতে পেরেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাস্তববাদী হতে হবে। আমাদের উন্নতির জায়গা আছে। তবে জিততে পারা সব সময়ই ভালো।’
নিজেদের সেরা ফুটবল খেলতে না পারলেও আবারও বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠায় উচ্ছ্বসিত স্কালোনি। তিনি বলেন, ‘হয়তো আমরা আরও ভালো খেলতে পারতাম। কিন্তু এই দল যা অর্জন করেছে, তা ইতিহাস। আবারও বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠা সত্যিই ঐতিহাসিক।’


