
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন সম্পর্কের পর এক নারীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাত করানোর অভিযোগ উঠেছে মনিরুল ইসলাম নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। পরে মনিরুল বিদেশে চলে গেলে বিয়ের দাবিতে শুক্রবার তার বাড়িতে অবস্থান নেন ওই নারী।
অভিযুক্ত মনিরুল উপজেলার কেড়াগাছি গ্রামের আশা গাজীর ছেলে। ভুক্তভোগী নারী লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে ওই নারীর বিয়ে হয়। তার ১৪ বছর বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে।
ওই নারীর অভিযোগ, প্রায় দুই বছর ধরে মনিরুলের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিয়ের আশ্বাস দিয়ে মনিরুল তাকে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হলে ২০২৫ সালের ২৪ মে পরীক্ষার মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত হন।
পরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাকে একটি ক্লিনিকে নিয়ে গর্ভপাত করানো হয় বলে অভিযোগ করেন ওই নারী। এরপর মনিরুল বিয়ের প্রতিশ্রুতি অস্বীকার করে বিদেশে চলে যান।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিয়ের দাবিতে মনিরুলের বাড়িতে যান ওই নারী। সেখানে তিনি ন্যায়বিচার ও পারিবারিক স্বীকৃতির দাবি জানান। একপর্যায়ে আত্মহত্যার হুমকি দিলে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়।
পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। মনিরুল দেশে ফিরলে সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হলে ওই নারী সেখান থেকে চলে যান।
অভিযোগ অস্বীকার করে মনিরুলের মা সুফিয়া বেগম বলেন, তার ছেলে বিদেশে থাকেন। ওই নারীর সঙ্গে ছেলের কোনো সম্পর্ক নেই।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান রিমু বলেন, বিষয়টি নিয়ে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


