
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর খুলনা মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রিন্সিপাল শেখ জাহাঙ্গীর আলম রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে সমাজে ন্যায়, নৈতিকতা ও ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সবক্ষেত্রে তাকওয়া ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়তে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
তিনি বলেন,মাহে রমযানের শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের ব্যক্তিগত আমলকে আরো সুন্দর করতে হবে। থানার প্রতিটি পাড়া মহল্লায় ইসলামের সুমহান বানী পৌঁছে দিতে হবে। সাধারণ মানুষের বিপদে আপদে পাশে থাকতে হবে। কুরআনের সমাজ কায়েম জন্য কাজ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, আপনারা আজকে নির্বাচন পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিপক্ষের হামলা, লুটপাট, দখল ও চাঁদাবাজিসহ যেই নৈরাজ্য তৈরি হয়েছে তা বন্ধ করতে হবে এবং দোষীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। জাতির সামনে সঠিক তথ্য তুলে ধরার মাধ্যমে এর বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তাহলেই সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) নগরীর হাইজিন রেস্টুরেন্ট এন্ড পার্টি সেন্টারে খুলনা সদর থানা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।
খুলনা সদর থানা আমীর এস এম হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি আব্দুস সালামের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন মহানগরীর তারবিয়াত সেক্রেটারি মাওলানা মো. অলিউল্লাহ, খুলনা জিলা স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. আমানত আলী হালদার, মেট্রোপলিটন ব্যবসায়ী সমিতির সেক্রেটারি মো. মাহবুবুর রহমান স্বপন, মো. সাহিদুল ইসলাম, মুহা. হুমায়ুন কবীর, ডা. হাফেজ মাওলানা সাইফুল্লাহ মানসুর, হাফেজ মাওলানা হাবিবুল্লাহ বেলালী প্রমুখ।
শেখ জাহাঙ্গীর আলম কুরআনের একটি আয়াতের উদ্ধৃতি দিয়ে রমযানের ফজিলতের বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘যে মাসে কুরআন নাযিল করা হয়েছে সেই মাসটিই হচ্ছে রমযান মাস। কুরআন নাযিল করার জন্যই রমযানের মর্যাদা এতো বেশি। এ জন্য রমযানের যে শিক্ষা সেটি আমাদের নিতে হবে। রমযানের শিক্ষা বাকি ১১টি মাসে বাস্তবায়ন করে একটি পরিপূর্ণ মুসলমান হিসেবে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।


