বিসিবিতে রদবদল হয়েছে গত মঙ্গলবার। আমিনুল ইসলাম বুলবুলের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে তামিম ইকবালকে সভাপতি করে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। তাদের নেতৃত্বে গতকাল (বুধবার) অনুষ্ঠিত সভায় নারী ও পুরুষ ক্রিকেটারদের ঘরোয়া লিগে ম্যাচ ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
লাল বলের ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় ম্যাচ-ফি বাড়ায় খুশি ক্রিকেটাররা। টেস্টের তারকা ক্রিকেটার তাইজুল ইসলাম এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তামিমের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘আমাদের টেস্ট ক্রিকেটে উঠে আসার যাত্রাটা শুরু হয় মূলত জাতীয় লিগ থেকে, যা বাংলাদেশের ফার্স্ট-ক্লাস ক্রিকেটের ভিত্তি। আমরা সবাই এই টুর্নামেন্টে দীর্ঘ সময় ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করার মাধ্যমে সুযোগ পাই ‘এ’ দল এবং পরবর্তীতে জাতীয় দলে খেলার।’
ক্রিকেটাররা এখন আরও অনুপ্রাণিত হবেন বলেও প্রত্যাশা তাইজুলের, ‘অতীতে এই টুর্নামেন্টে ম্যাচ ফি এবং সুযোগ-সুবিধা তুলনামূলকভাবে অনেক কম ছিল। অনেকেই এটাকে কিছুটা অবহেলিত প্রতিযোগিতা হিসেবে দেখতেন। কিন্তু বর্তমানে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, বিশেষ করে স্যালারি স্ট্রাকচার ও ম্যাচ ফি বৃদ্ধি– তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এই পরিবর্তন আমাদের মতো খেলোয়াড়দের জন্য অনেক বেশি অনুপ্রেরণাদায়ক।’প্রসঙ্গত, ঘরোয়া ক্রিকেটে বিসিবির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ নারী ক্রিকেটারদের বেতন আগে ছিল ৩০ হাজার টাকা। বিসিবি সেটি এখন ৪০ হাজারে বর্ধিত করেছে। এ ছাড়া ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি ম্যাচের জন্য এখন থেকে নারী ক্রিকেটাররা পাবেন ১০ হাজার টাকা করে, একদিনের ম্যাচের জন্য ১৫ হাজার ও দীর্ঘ সংস্করণ, দুই-তিন কিংবা চার দিনের ম্যাচের জন্য পাবেন ২০ হাজার টাকা করে।
পুরুষদের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের চুক্তিতে ‘এ’ ক্যাটাগরির ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক ছিল মাসে আগে ৩৫ হাজার টাকা। এখন সেটা বেড়ে এক লাফে ৬৫ হাজার হয়েছে। ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ছিল ৩০ হাজার, সেটি হয়েছে ৫০ হাজার। ‘সি’ ক্যাটেগরির ২৫ হাজার বাড়িয়ে ৪০ হাজার টাকা করা হয়েছে। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে (জাতীয় লিগ ও বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ) ম্যাচ ফি আগে ছিল ৭০ হাজার টাকা। এখন তা বেড়ে হয়েছে ১ লাখ টাকা।


