
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতে বসে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে ‘উসকানিমূলক’ বক্তব্য দিতে দেওয়ায় বিস্ময় ও হতাশা প্রকাশ করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তাঁর এসব বক্তব্য ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি’ বলে দাবি করা হয়েছে। গত শুক্রবার নয়াদিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার রেকর্ড করা অডিও ভাষণের প্রেক্ষাপটে আজ এক বিবৃতিতে এর নিন্দা জানাল সরকার।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাত করার এবং আসন্ন নির্বাচনকে ব্যাহত করার জন্য আওয়ামী লীগের সমর্থকদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করার জন্য মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ও পলাতক শেখ হাসিনাকে নয়াদিল্লিতে প্রকাশ্যে যে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, তাতে বাংলাদেশের সরকার বিস্মিত ও হতাশ হয়েছে।’
শুক্রবার নয়াদিল্লিতে ‘সেভ ডেমোক্রেসি ইন বাংলাদেশ’ অর্থাৎ ‘বাংলাদেশে গণতন্ত্র বাঁচাও’ শীর্ষক এক সেমিনারে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন আওয়ামী লীগের নেতারা। সেখানেই দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার অডিও ভাষণটি শোনানো হয়।
ওই অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেছে, যার অন্যতম হলো জাতিসংঘকে আমন্ত্রণ করে বিগত বছরের ঘটনাবলির ‘নিরপেক্ষ তদন্তের’ দাবি, যাতে, তাদের ভাষায়, ‘খাঁটি সত্যটা’ জানা যায়।
এ ছাড়া আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন, মব সন্ত্রাসের সংস্কৃতি, সংখ্যালঘু এবং বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মী আর সাংবাদিকদের ওপরে আক্রমণ ইত্যাদি বিষয় তুলে ধরা হয় ‘বিশ্বের নজরে’ আনার জন্য।


