
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ভোট গ্রহণের নির্ধারিত দিনে যানবাহন চলাচল সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ। রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কেএমপি পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা পর্যন্ত খুলনা মেট্রোপলিটন এলাকায় ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
এছাড়া মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত ১২টা থেকে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে।
তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক; জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন; ওষুধ, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবা সংশ্লিষ্ট দ্রব্যাদি পরিবহনকারী যানবাহন এবং সংবাদপত্র বহনকারী সকল ধরনের যানবাহনের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা শিথিলযোগ্য থাকবে।
এছাড়া আত্মীয়-স্বজনের জন্য বিমানবন্দরে যাতায়াত বা বিমানবন্দর থেকে যাত্রীসহ বাসস্থানে ফেরার ক্ষেত্রে (টিকিট বা সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে) যানবাহন চলাচল করতে পারবে। দূরপাল্লার যাত্রীবাহী যানবাহন এবং দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর জন্য একটি এবং তার এজেন্টের জন্য একটি করে ছোট আকৃতির যানবাহন (জীপ, কার, মাইক্রোবাস ইত্যাদি) চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে, যা রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে কার্যকর হবে।
সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক অথবা জরুরি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ও মোটরসাইকেল নির্বাচন কমিশন বা রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে চলাচল করতে পারবে। একইভাবে নির্বাচন কমিশনের অনুমোদনক্রমে নির্বাচনি কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী অথবা অন্য ব্যক্তিদের জন্য মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে।
এছাড়া টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনা করে বিটিআরসি থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।


