
বাগেরহাটের চিতলমারী আড়–য়াবর্ণী প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টি এক যুগের অধিক সময় ধরে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু-কিশোরদের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার জন্য পড়া-লেখাল পাশা-পাশি তাদের মানসিক বিকাশের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিদ্যালয়টি সার্বিক মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সম্প্রতি সমাজ কল্যাণ মন্ত্রনালয় থেকে একটি তদন্ত প্রতিবেদন চাওয়া হয়।
সরজমিনে পরিদর্শন পূর্বক এই প্রতিবেদন প্রদান করার লক্ষ্যে বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২ টায় চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাদিজা আক্তার আড়–য়াবর্ণী প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের হাতে উপহার হিসেবে ফুটবল, স্কিপিং রোপ (দড়ি লাফ) খেলনা ও টিফিনের জন্য বি¯ু‹ট এবং কেক তুলে দেন। এ সময় তিনি বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের সাথে অনুপ্রেরণামূক গল্প করেন ও শিক্ষামূলক বক্তব্য দেন।
একই সাথে তিনি শিক্ষার্থীদের সাথে ছবি তোলেন ও কুশল বিনিময় করেন। হটাৎ করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিদ্যালয়ে পেয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আনন্দিত হতে দেখা গেছে। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার অচ্যুতানন্দ দাস, বিশিষ্ট ক্রীড়া শিক্ষা শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেন বিন্দু, বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা হায়েত আলী হাওলাদারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এ ব্যাপারে আড়–য়াবর্ণী প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ এমাদুল ইসলাম জানান, ২০১৩ সালের এলাকার হায়েত আলী হাওলাদার নামে এক যুবক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এই বিদ্যালয় হতে শিক্ষা গ্রহন করে বহু প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী মাধ্যমিক স্তরে পড়া লেখা সম্পন্ন করেছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ২০ জন শিক্ষক ও ২০ জন কর্মচারী স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দীর্ঘদিন ধরে তারা বিনা বেতনে দায়িত্ব পালন করে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। তিনি প্রতিষ্ঠানটি দ্রুত সময়ের মধ্যে এমপিওভুক্তির দাবি জানান।


