সব কিছু
facebook channelkhulna.tv
খুলনা সোমবার , ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ২রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
জলধারা ক্রয়ের পর ওই জমিতে কেডিএ কোন ভাবে নকশা দিবে না : কেডিএ চেয়ারম্যান | চ্যানেল খুলনা

জলধারা ক্রয়ের পর ওই জমিতে কেডিএ কোন ভাবে নকশা দিবে না : কেডিএ চেয়ারম্যান

খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম মিরাজুল ইসলাম এএমডব্লিউসি, পিএসসি খুলনার ভবন মালিকদের কেডিএ’র নকশা অনুযায়ী ভবন করার জন্য রাষ্ট্রীয় ও ধর্মীয় আইন দ্বারা বুঝিয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় কেডিএ’র অডিটরিয়াম ভবনে অনুমোদিত নকশা গ্রহনকারী এবং নকশা প্রণয়নকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাথে মত বিনিময় সভায় চেয়ারম্যান সভাপতির বক্তব্যে ভবন মালিকদের সঠিক নিয়ম মেনে ভবন করার ব্যাপারে তাগিদ দেন। সভায় ৬৪ জন ভবন মালিকের অনুমোদিত নকশা তাদের হাতে তুলে দেন কেডিএ চেয়ারম্যান ।

এ সময় খুমেক হাসপাতালের সামনে জনৈক মমতাজ বেগমের একতলা ভবনের নকশা নেয়ার পর দ্বিতীয়তলা ভবনের নকশা অনুমোদন করার জন্য ভোগান্তির অভিযোগ করেন তারই পক্ষে ইশারাত আলী। এ অভিযোগ করা হয় ইমারত পরিদর্শক মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে। এ সময় চেয়ারম্যান কেডিএ’র সচিব ও প্রধান প্রকৌশলীকে অভিযোগটি তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেন।

সভায় চেয়ারম্যান বলেন, বাসযোগ্য নগরায়ন করতে নকশা বর্হিভূত কোন ভবনের অনুমোদন কেডিএ দিবে না। এক পর্যায়ে ওই ভবন কেডিএ অপসারণ করবেই। এতে কোন ছাড় দেয়ার সুযোগ আইনে নেই। জমি ক্রয়ের সময় অনলাইনে ভূমি ম্যাপ চার্জ দিয়ে জমি জলাধারা না কি বিলেন দেখেন। বিষয়টি পরিস্কার করে জেনে বুঝে জমি ক্রয় করুন। জলধারা ক্রয়ের পর ওই জমিতে কেডিএ কোন ভাবে নকশা দিবে না। এ জন্য কেডিএ-কে দায়ী করলে হবে না। আপনাকে জমি ক্রয়ের আগে অনলাইনে চার্জ দিয়ে জমির অবস্থান বুঝে নেন। নকশার জন্য পরিপূর্ণ আবেদন অনুমোদন করতে কেডিএ’র ১৫-৩০ দিন লাগে। তার বেশী লাগবে না। এ সময়ের বেশী সময় কেউ নিলে সরাসরি চেয়ারম্যানের দ্বারস্থ হওয়ার জন্য তিনি বলেন। ভবনের এনওসি পেতে কেডিএ’র কারো কাছে দ্বারস্থ হওয়ার প্রয়োজন নেই। কেডিএ’র ওয়েভসাইডে গিয়ে আবেদন ফরমে অনলাইনে আবেদন করুন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিয়ে। অটো আপনার ভবনের নকশা প্রস্তুত হয়ে যাবে। এ জন্য কোন বেগ পাওয়ার কথা নয়। যদি আপনি চাহিদা অনুযায়ী কাগজপত্র আবেদনের সাথে যুক্ত করতে ব্যর্থ হন সে দায় কেডিএ নেবে না। তিনি বলেন, কেডিএ এখন সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে সেবামূলক কাজগুলো করে চলেছে। আপনার আবেদনের নথি কার কাজে আছে তা কেন অনুমোদন হচ্ছে না তা আপনি কেডিএ’র ওয়েভ সাইডে চার্জ করলেই জানতে পারবেন সহজে। সুতরাং আপনার কেডিএ’র সেবা পেতে কোন দালালের দ্বারস্থ হবেন না।

তিনি বলেন, প্রতিটি মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির ও গীর্জার নকশা থাকা জরুরী। কেডিএ’র প্লান অনুযায়ী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ভবন করা খুবই জরুরী বলে তিনি সবার উদ্দেশ্যে বলেন। কারণ নকশা বিতরণ অনুষ্ঠানে একটি মসজিদ কমিটির নেতাদের নিকট মসজিদের নকশা অনুমোদিত কপি চেয়ারম্যান হস্তান্তর করেন। গত প্রায় পাঁচ মাস আগে কেডিএ’র সফটওয়ার চালু করা হয়েছে। এ সময় পর থেকে এ পর্যন্ত ১২৭০টি নকশার অনুমোদন কেডিএ দিয়েছে। চলতি মাসে মাত্র চারটি আবেদন জমা পড়েছে। প্রতিটি আবেদনই দ্রুত সমাধান করা হয়। কোন আবেদনই পেন্ডিং থাকে না। তিনি সবাইকে আরো দায়িত্বশীল হয়ে পরিকল্পিত নগরায়ন করার সহযোগিতার আহবান জানান।

https://channelkhulna.tv/

খুলনা আরও সংবাদ

১ মার্চ দায়িত্ব গ্রহণ করবেন মঞ্জু, উন্নয়নের নতুন আশায় খুলনা

দিঘলিয়ায় যুবদল নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

খুলনা-সাতক্ষীরায় তীব্র ভূমিকম্পের ঝাঁকুনি, আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে বাইরে মানুষ

খুলনায় ইন্টারনেটের ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

কয়রা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান

কেসিসির প্রশাসক মঞ্জুকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত নগর ভবন

চ্যানেল খুলনা মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন  
সম্পাদক: মো. হাসানুর রহমান তানজির
It’s An Sister Concern of Channel Khulna Media
© ২০১৮ - ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | চ্যানেল খুলনা.বাংলা, channelkhulna.com.bd, channelkhulna.bd
যোগাযোগঃ ৫ কেডিএ বানিজ্যিক এলাকা, আপার যশোর রোড, খুলনা।
প্রধান কার্যালয়ঃ ৫২/১, রোড- ২১৭, খালিশপুর, খুলনা।
ফোন- 09696-408030, 01704-408030, ই-মেইল: channelkhulnatv@gmail.com
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য অধিদফতরে অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।