
প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন খুলনা সফর উপলক্ষে নগরের পরিচ্ছন্নতা, সৌন্দর্যবর্ধন ও সড়ক সংস্কার কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
রোববার বিকেলে নগর ভবনের জিআইজেড মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রীর সফরের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত এক জরুরি পর্যালোচনা সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন কেসিসি প্রশাসক।
সভায় প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে খুলনায় আসতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ কারণে মহানগরীর প্রবেশপথগুলোর পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি উন্মুক্ত স্থানে বৃক্ষরোপণ ও অবৈধ স্থাপনা অপসারণ কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। ইতোমধ্যে পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্যবর্ধন করা এলাকাগুলো যেন আবার অপরিচ্ছন্ন না হয়, সেদিকেও নজর রাখতে হবে।
তিনি বিশেষ করে গল্লামারী থেকে ময়লাপোতা এবং সোনাডাঙ্গা বাইপাস সড়কের প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ দ্রুত শেষ করার ওপর গুরুত্ব দেন। এ ছাড়া হাজী মহসিন রোড পরিচ্ছন্ন রাখতে ওই সড়কে ভ্যানে করে সবজি, মাছ ও অন্যান্য সামগ্রী বিক্রেতাদের সোমবার থেকে মহিলা মাদরাসার সামনের এলাকায় সরে যাওয়ার অনুরোধ জানাতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।
সভায় প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য যাতায়াতের বিভিন্ন সড়কের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এসব সড়কের মধ্যে রয়েছে গল্লামারী থেকে ময়লাপোতা, রয়্যালের মোড় হয়ে টুটপাড়া কবরখানার মোড় দিয়ে হাজী মহসিন রোড হয়ে সার্কিট হাউস; শিববাড়ি মোড় হয়ে ময়লাপোতা; গল্লামারী থেকে সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড হয়ে শিববাড়ি মোড়; সার্কিট হাউস থেকে ডাকবাংলা হয়ে নেভিগেট; যশোর রোড থেকে শিববাড়ি মোড়; বৈকালী গোয়ালখালী মোড় হয়ে খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতাল; রূপসা ট্রাফিক মোড় থেকে টুটপাড়া কবরখানা মোড় এবং রূপসা ট্রাফিক মোড় থেকে নতুন বাজারের সামনে দিয়ে সার্কিট হাউস পর্যন্ত সড়ক।
এসব রুটে থাকা অবৈধ ব্যানার, প্যানা ও পোস্টার অপসারণের জন্য সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং গঠিত কমিটির সদস্যদের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ ছাড়া ময়লাপোতা থেকে পাওয়ার হাউস মোড় এবং মোস্তর মোড় থেকে বয়রা কলেজ মোড় পর্যন্ত সড়ক পরিচ্ছন্ন করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় কেসিসির সচিব মো. রেজা রশীদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান, প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মিউল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মো. মাসুদ করিম ও বিদ্যুৎ কুমার দাসসহ সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং গঠিত কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


