
খুলনা মহানগরীর ২১নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি কার্যালয়ে গভীর রাতে সন্ত্রাসীদের ককটেল বিস্ফোরণ ও নাশকতামূলক হামলার তীব্র নিন্দা, ঘৃণা ও ক্ষোভ জানিয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। শনিবার (২৯ আগস্ট) যৌথ বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, রাত সোয়া ১১টার দিকে অতর্কিতভাবে কার্যালয় লক্ষ্য করে ককটেল হামলা চালিয়ে সন্ত্রাসীরা যে ভীতি ও অরাজকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা প্রয়াশ চালিয়েছে, তা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। পতিত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর ও গুপ্তরা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে এবং শান্ত খুলনাকে অশান্ত করতে এখনো নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এই বর্বরোচিত হামলা সেই চক্রান্তেরই অংশ।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ককটেল হামলা চালিয়ে খুলনা মহানগর বিএনপি ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের দমিয়ে রাখা যাবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অবিলম্বে এই হামলার সঙ্গে জড়িত আওয়ামী দোসর ও চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে দুর্বৃত্তদের চক্রান্তের যোগ্য জবাব দেবে। বিবৃতিদাতারা হলেন, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল এমপি, আজিজুল বারী হেলাল এমপি, খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি ও খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) চেয়ারম্যান এড. শফিকুল আলম মনা, খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক শফিকুল আলম তুহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, মো. মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, থানা বিএনপির কেএম হুমায়ুন কবীর, হাফিজুর রহমান মনি, এড. শেখ মোহাম্মাদ আলী বাবু, মুর্শিদ কামাল, কাজী মিজানুর রহমান, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, হাবিবুর রহমান বিশ্বাস, শেখ ইমাম হোসেন, আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, আসাদুজ্জামান আসাদ প্রমূখ।


