
খুলনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দায়ের করা দুটি পৃথক মামলায় আদালতের রায়ে শিক্ষাগত সনদ জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মোঃ আশরাফুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
প্রথম মামলায় খুলনা সিটি গার্লস কলেজের প্রভাষক ওমর ফারুককে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে মোট ৬ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাকে ১৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, জাল সনদের মাধ্যমে চাকরি নিয়ে তিনি যে বেতন ও আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করেছেন, তা আত্মসাৎ হিসেবে গণ্য করে এই অর্থ জরিমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। আদালত আরও নির্দেশ দেন, এই অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে অতিরিক্ত ৬ মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
রায় ঘোষণার সময় আসামি ওমর ফারুক আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
অপর একটি মামলায় বাগেরহাটের বাসিন্দা কল্যাণ অধিকারীকে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের প্রায় ১১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুটি ধারায় যথাক্রমে ৩ বছর ও ৭ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। যা মিলিয়ে মোট ১০ বছরের সাজা।
তবে রায় ঘোষণার সময় তিনি পলাতক ছিলেন। আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোঃ মোফাক্কার হোসেন মনি জানান, এই রায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটি শক্ত বার্তা বহন করে। তিনি বলেন, যারা জালিয়াতি বা আত্মসাতের মাধ্যমে অবৈধ সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করবে, তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।


