
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য, খুলনা মহানগরী আমীর এবং খুলনা-৩ আসনের জামায়াত মনোনীত ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে এদেশের মানুষ নিরাপদে জীবনযাপন করতে পারবে। এদেশ সত্যিকারার্থে বৈষম্যহীন মানবিক কল্যাণ রাষ্ট্র হিসাবে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, বিগত সময়ে যারা এদেশে ক্ষমতায় ছিলেন তারা জনগণের সাথে প্রতারণা করেছেন। এদেশে লক্ষ লক্ষ বেকারকে চাকরি দিয়ে বেকারত্ব দূর করার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। তিনি বলেন, চাঁদাবাজমুক্ত সমাজ বিনির্মাণ, আদর্শ সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা ও কল্যাণরাষ্ট্র গঠনের জন্য ইসলামের পক্ষে এবং দাঁড়িপাল্লার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। দেশের উন্নয়ন ও শান্তির জন্য সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক নেতৃত্ব প্রয়োজন। শনিরবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দিনভর দৌলতপুর থানাধীন ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগকালে তিনি এ সব কথা বলেন।
এ সময় তার সঙ্গে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন মহানগরী সভাপতি আজিজুল ইসলাম ফরাজী, ইসলামী ছাত্রশিবিরের মহানগরী সভাপতি আরাফাত হোসেন মিলন, দৌলতপুর থানা আমীর মাওলানা মুশাররফ আনসারী, ব্যাবসায়ী থানা আমীর সিদ্দিকুর রহমান, ৬ নং ওয়ার্ড আমীর আমিনুর রহমান, বি এল কলেজের সাবেক ভিপি জাহাঙ্গীর কবির, সাবেক ছাত্রশিবির নেতা মনসুর আলম চৌধুরী, আজিজুর রহমান স্বপন, মাওলানা মহিউদ্দিন, সেক্রেটারি আনিসুর রহমান, ডা. সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া, রেজাউল কবির, মাওলানা হাবিবুর রহমান, মাওলানা ইদ্রিস আলী, ছাত্রশিবির নেতা হযরত আলী, বোখারী, ইবাদত হোসেন, জাকির হোসেন, শেখ আশরাফ হোসেন প্রমুখ।
অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেন, খুলনা মহানগরীর প্রতিটি ঘরে শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন পৌঁছে দিতে আমি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের অঙ্গীকার করছি। জনগণের ভালোবাসা ও সহযোগিতা নিয়ে আমি মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত খুলনা গড়তে চাই। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে বিজয়ী করুন। ইনশাআল্লাহ, আপনাদের আমানতের খেয়ানত করব না।


