
তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সার সংকট নিরসন এবং গণভোটে অনুমোদিত জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ ছয় দফা দাবিতে শনিবার ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ করবে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। এতে বাধা দেওয়া হলে সরকার জনরোষের মুখে পড়বে বলে সতর্ক করেছেন জোটের নেতারা।
শুক্রবার মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, লংমার্চে সরকার বা প্রশাসন প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি করলে তারা আরও জনআস্থা হারাবে। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা না দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শনিবার সকাল ৮টায় মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে লংমার্চ শুরু হবে। এতে প্রায় দেড় হাজার গাড়ি অংশ নেবে। নারায়ণগঞ্জের চিটাগাং রোড, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার ও চৌদ্দগ্রাম, ফেনীর মহিপাল এবং চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে সংক্ষিপ্ত পথসভা হবে। রাতে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হবে।
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ১১ দল ঐক্যবদ্ধ আছে। লংমার্চে হামলা হলে এর দায় সরকারকে নিতে হবে এবং শক্ত জবাব দেওয়া হবে। এদিকে এনসিপি অভিযোগ করেছে, চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে কেন্দ্রীয় নেতাদের থাকার ব্যবস্থায় কৌশলে বাধা দেওয়া হচ্ছে।


