
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, পবিত্র রমযান মাস ইবাদতের মাস। এই মাসে মানুষকে জিম্মি করে অতি মুনাফা লাভের চিন্তা বর্জন করতে হবে। রমযান মাসে দ্রব্যমূল্য সহনশীল ও সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার ভিতরে রাখতে হবে। কোন প্রকার সিন্ডিকেট করে বাজার অস্থিতিশীল করা যাবে না। জনগণের ভোগান্তি কমানো এবং রমযানের পবিত্রতা রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০ টায় কয়রা উপজেলার বাজার পরিদর্শন ও মনিটরিং এর সময় তিনি এ সব কথা বলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কয়রা উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ্ আল বাকী, কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. শুভমনিয়াম, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক দেবপ্রসাদ রায়, কয়রা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা শেখ সায়ফুল্লাহ, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা সুজা উদ্দিন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উপজেলা সভাপতি মাওলানা শাহাবুদ্দীন আহমেদ, সদর ইউনিয়ন আমির গাজী মিজানুর রহমান, যুব বিভাগের ইউনিয়ন সভাপতি হাফেজ জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এমপি বলেন, রমযানের পবিত্রতা রক্ষা ও জনগণের ভোগান্তি কমাতে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি ভেজাল ও অতিরিক্ত দামের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি এবং সাধারণ মানুষের স্বস্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
কৃত্রিম সংকট তৈরি করে যারা পণ্যের দাম বৃদ্ধি করবে বা ওজনে কম দেবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে নির্দেশ দেন। সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং স্বস্তিতে ইবাদত করার পরিবেশ তৈরি করতে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক তদারকি কার্যক্রম পুরো রমযান মাস জুড়ে অব্যাহত থাকবে। ব্যবসায়ী এবং ক্রেতাদের সার্বিক খোঁজ খবর নেন। বাজার যেন সারা বছর স্থিতিশীল অবস্থায় থাকে সে জন্য সবার সহযোগীতা কামনা করেন।


