
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য, মহানগরী সেক্রেটারি ও খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অদ্যাবধি সমাজ সেবার অংশ হিসেবে ব্যাপক ভিত্তিক সামাজিক কার্যাক্রম পরিচালনা করে আসছে। দলমত, ধর্মবর্ণ, জাতি-গোষ্ঠী নির্বিশেষে জামায়াতে ইসলামী সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে। কারণ জামায়াতে ইসলামী বিশ্বাস করে মানুষ হিসেবে সমাজে আমরা সকলেই সমান। তিনি বলেন, খুলনা হলো বঞ্চিত-অবহেলিত এলাকা। এই এলাকাকে নিরাপদ ও আধুনিক এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি স্থানীয়দের সহযোগিতা চেয়ে বলেন, মাদক, সন্ত্রাস, দূর্নীতি, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং দমনে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করতে হবে। খুলনাতে কোনো চাঁদাবাজি, কোনো সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি, দুর্নীতি চলবে না।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) জিরো পয়েন্টে হরিণটানা থানা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।
হরিণটানা থানা আমীর আব্দুল গফুরের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি এডভোকেট ব ম মনিরুল ইসলামের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক নজিবুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে মহানগরী অফিস সেক্রেটারি মিম মিরাজ হোসাইন, হরিণটানা থানা সহকারী সেক্রেটারি জি এম সেলিম বাহার, থানা কর্মপরিষদ সদস্য সাফায়েত হোসেন লিখন, এমরান হুসাইন, ডা. ইসমাইল হোসেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের হরিণটানা থানা সভাপতি জি এম হেলাল উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ইফতারের আগে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায় মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়।
সংসদ সদস্য এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল বলেন, জুলাই বিপ্লবের পর শত শহীদের বিনিময়ে আমরা আবার এক হতে পেরেছি। আমরা কথা বলার অধিকার ফিরে পেয়েছি। পেয়েছি স্বাধীনভাবে লেখার অধিকার। মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামের পাশে যেন জুলাই বিপ্লবের শহিদদের নাম লেখা হয়। আমরা ৫৪ বছরে স্বাধীনতার ফসল ঘরে তুলতে পারিনি। সুযোগ এসেছে স্বাধীনতার সেই সোনার ফসল ঘরে তোলার। আমারা সুখী, সমৃদ্ধশালী, উন্নত এক শান্তিময় বাংলাদেশ কায়েম করতে চাই। যেখানে থাকবে না হিংসা, হানাহানি। থাকবে না কোন বৈষম্য। সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চাই। কিন্তু হঠাৎ করে দেখছি জুলাই সনদ নিয়ে বিভিন্ন রকম বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। আমরা সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে যাদের রক্তের বিনিময়ে আবার স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছি তাদেরকে ভুলতে দেয়া যাবে না। ঐক্যবদ্ধভাবে জুলাই সনদকে সমন্নত রাখতে হবে


