
অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া এক শিক্ষার্থীকে আটক করেছে কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষাকালে স্মার্টফোন দিয়ে প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে বাবাকে মেসেঞ্জারে পাঠাতে গিয়ে ধরা পড়েন তিনি।
আজ শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শিফটের পরীক্ষা চলাকালে রবীন্দ্র একাডেমি ভবনে কেন্দ্রের ১৪৫ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। পরে ওই শিক্ষার্থীকে প্রক্টরের অফিস থেকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়েছে।
অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর নাম শামস আজমাইন। তিনি নওগাঁ জেলার বাসিন্দা।
প্রক্টর দপ্তর সূত্রে জানা যায়, আজ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ‘সি’ ইউনিটের দ্বিতীয় শিফটের ভর্তি পরীক্ষা বিকেল ৩টায় শুরু হয়। পরীক্ষা চলাকালীন এক ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীর আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক তাঁর দিকে নজর দেন।
তিনি দেখতে পান ওই শিক্ষার্থী স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে মেসেঞ্জারে পাঠান। এ সময় তাঁকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন সংশ্লিষ্টরা।
জিজ্ঞাসাবাদে আটক শিক্ষার্থী জানান, তিনি তাঁর বাবার কাছে প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে মেসেঞ্জারে পাঠান সমাধান করার জন্য। তাঁর বাবা একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করেন।
এ বিষয়ে প্রক্টর ড. মাহবুর রহমান বলেন, ‘সকালের শিফটে একজন শিক্ষার্থী ডিভাইসসহ ধরা পড়েছে। সে এআই ব্যবহার করে প্রশ্ন সমাধান করার চেষ্টা করতে ছিল। সেটা নিয়ে তদন্ত করতে করতে আবার খবর পাই দ্বিতীয় শিফটের একজন পরীক্ষার্থী ছবি তুলে মেসেঞ্জারের মাধ্যমে সেটি পাঠিয়ে উত্তর খোঁজার চেষ্টা করে।
‘যেটি খুবই বাজেভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম ভঙ্গ করেছে। আমরা তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছি এবং প্রতারণার জন্য তার বিরুদ্ধে মামলা হবে। তার সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করব। যাতে ভবিষ্যৎ পরীক্ষার্থীদের কাছে সেটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে।’
এ ছাড়া ঢাকায় অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার কেন্দ্রেও দুজন পরীক্ষার হলে ডিভাইস ব্যবহারকালে ধরা পড়েছেন বলেও জানান তিনি।


