
শিশুদের জ্ঞানীয়, শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলা অপরিহার্য। এটি মস্তিষ্কের কার্যকারীতা বৃদ্ধি, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা, সৃজনশীলতা, স্মৃতিশক্তি এবং আবেগ নিয়ন্ত্রেণে সহায়তা করে। খেলাধুলা শিশুর কল্পনাশক্তি বৃদ্ধি করে, আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমিয়ে দেয়। আজকের শিশু আমাদের ভবিষ্যৎ, তারাই হবে দেশ গড়ার কারিগর। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সঠিকভাবে গড়তে হলে সামজিক ও পরিবেশ সচেতন করে গড়ে তুলতে হবে। তাহলে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। অনৈতিক কর্মকান্ড থেকে দূরে রাখতে হলে তাদের হাতে খেলাধুলার সামগ্রী হাতে তুলে দিতে হবে। দেখাতে হবে স্বপ্ন। এভাবে বললেন জনউদ্যোগ খুলনার সমাবেশে নাগরিক নেতৃবৃন্দ।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল দশটায় মহেশ্বরপাশা বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে জনউদ্যোগ খুলনার আয়োজনে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অভিভাবক ও শিক্ষকদের সাথে খেলাধুলার মাধ্যমে সামাজিক ও পরিবেশ ইস্যুতে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জনউদ্যোগ খুলনা আহবায়ক মানুষ রায়। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা শিবির সোসাইটির আহ্বায়ক এসএম শাহনওয়াজ আলী ও খুলনা সদর থানা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফেরদৌস আরা। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহেশ্বরপাশা বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহানাজ পারভীন, বাংলাদেশ স্কাউট খুলনা মেট্রোপলিটন কমিশনার সৈয়দ আনিসুজ্জামান।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন মো: মাজাহারুল ইসলাম, মোস্তফা সাদ জগলুল পাশা, এস কে জামান, মো: শহিদুল্লাহ, সানজিদা আক্তার, দিলরুবা সুলতানা, পলাশ কান্তি সরকার, রত্না রানী রাহা প্রমুখ।
সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সদস্য সচিব সাংবাদিক মহেন্দ্রনাথ সেন।
সভায় বক্তারা বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে আস্তে আস্তে শিশুর শরীর, হাড় ও মাসল শক্তিশালী হয়। তারা দ্রুত বেড়ে ওঠে। নিয়মিত মাঠে খেলাধুলা শিশুদের উদ্দীপনা, কর্মক্ষমতা ও সহনশীলতা বৃদ্ধি করে, হার ও জিতকে সহজে মেনে নিতে সাহায্য করে। তাই শিশুর জন্য মাঠে খেলার ব্যবস্থা করতে হবে। অবসর সময়ে পরিবারের সবাই মিলে টিম হয়েও শিশুর সঙ্গে বাইরে বা বাড়িতেই খেলাধুলা করতে হবে। পাশাপাশি ছবি আঁকা, সঙ্গীতচর্চাসহ বিভিন্ন সৃজনশীল কাজেও শিশুকে উদ্বুদ্ধ করলে এরাই সম্পদে পরিণত হবে।


