
আশুলিয়া ও তুরাগ নদী থেকে উদ্ধার হওয়া দুই ব্যক্তির মরদেহের ঘটনায় রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানিয়েছে ঢাকা জেলা পুলিশ। একই সঙ্গে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজবের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছে পুলিশ।
রোববার (২৮ জুন) ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন।
তিনি জানান, গত ২৬ জুন রাতে আশুলিয়া নদীর গরুহাটা ঘাট এলাকা থেকে স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় অজ্ঞাত এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে নিহতকে মো. সুমন (১৭) হিসেবে শনাক্ত করা হয়। গত ২২ জুন বন্ধুদের সঙ্গে নৌভ্রমণে গিয়ে নৌকা থেকে পড়ে তিনি নিখোঁজ হন বলে পরিবার জানিয়েছে।
এ ছাড়া গত ২৪ জুন সাভারের রয়েল সিটি খেয়াঘাট এলাকায় তুরাগ নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া রনি (৩৫) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ স্থানীয়রা উদ্ধার করেন।
পুলিশ সুপার বলেন, দুটি ঘটনাই দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু। তবে একটি স্বার্থান্বেষী মহল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এসব ঘটনায় ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘অপপ্রচারকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে। জনসাধারণকে গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।’
মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, ‘রাজনৈতিক পরিচয় খোঁজা পুলিশের কাজ নয়। পরিবার থেকে কোনো অভিযোগ করা হয়নি এবং এ দুটি ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।’
ঢাকা জেলায় চলতি বছরের মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত তিন মাসে মোট ১৭০টি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড হয়েছে বলেও জানান তিনি।


