সব কিছু
facebook channelkhulna.tv
খুলনা , ,
খুবিতে শহিদ মীর মুগ্ধ’র দ্বিতীয় শাহাদাৎবার্ষিকী পালিত | চ্যানেল খুলনা

খুবিতে শহিদ মীর মুগ্ধ’র দ্বিতীয় শাহাদাৎবার্ষিকী পালিত

জুলাই আন্দোলনে শহিদ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ’১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ-এর দ্বিতীয় শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শনিবার (১৮ জুলাই) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে বেলা ১১.১৫ মিনিটে সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে ‘জুলাই বিপ্লব থেকে নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-কেডিএ’র চেয়ারম্যান এ্যাড. এস এম শফিকুল আলম মনা, খুলনা ওয়াসার চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-বিসিবির পরিচালক শফিকুল আলম তুহিন, শহিদ মীর মুগ্ধ’র পিতা মীর মোস্তাফিজুর রহমান, শহিদ সাকিব রায়হানের পিতা শেখ আজিজুর রহমান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত।

আলোচনা সভায় বক্তারা জুলাই শহিদদের আত্মত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তাঁদের স্বপ্নের বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।
আলোচনা সভায় শিক্ষকদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন গণিত ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ আজমল হুদা। শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে অনুভূতি ব্যক্ত করেন আইন ডিসিপ্লিনের ’১৯ ব্যাচের আল শাহরিয়ার ও গণিত ডিসিপ্লিনের ’২২ ব্যাচের জাহিদুল ইসলাম। এ সময় শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে বিভিন্ন দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি সংসদ সদস্যের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে শহিদ মীর মুগ্ধ’র স্নাতক পরীক্ষার সনদ তাঁর পিতা মীর মোস্তাফিজুর রহমানের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি শহিদ মীর মুগ্ধ ও শহিদ সাকিব রায়হানের পরিবারকে সম্মাননা জানানো হয় এবং জুলাই আন্দোলনে আহতদেরও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

আলোচনা সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ন জামে মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম ক্বারী মুস্তাকিম বিল্লাহ। এ সময় জুলাই শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং আহতদের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া করা হয়।

এর আগে কর্মসূচির শুরুতে সকাল ১০.৩০ মিনিটে অদম্য বাংলা চত্বরে জুলাই আন্দোলনের স্থিরচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়। এসময় অতিথিবৃন্দ প্রদর্শনীতে স্থান পাওয়া স্থিরচিত্র ঘুরে দেখেন। পরে তারা বৃক্ষরোপণ করেন।

এ সকল কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুলের ডিন, ডিসিপ্লিন প্রধানসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকতা-কর্মচারী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, নাগরিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ এবং সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়েছে। বাকস্বাধীনতা, ন্যায়বিচার এবং বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার যে আকাঙ্ক্ষা থেকে আন্দোলনের জন্ম, সেই চেতনা অক্ষুণ্ন রাখতে হবে। দেশে যাতে নতুন করে ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থা গড়ে না ওঠে এজন্য জুলাই সনদ ও হ্যাঁ ভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে।

শিক্ষার্থীর দাবি প্রতি সংহতি জানিয়ে তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন আবাসিক হল নির্মাণ সময়ের দাবি এবং সেটির নাম শহিদ মীর মুগ্ধ’র নামে করার বিষয়ে তিনি সহযোগিতার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্প্রসারণে জমি অধিগ্রহণেও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

কেডিএ চেয়ারম্যান এ্যাড. এস এম শফিকুল আলম মনা বলেন, মীর মুগ্ধ’র সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের পথ উন্মুক্ত করেছে। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে জুলাই শহিদদের অবদান কখনও ভোলা যাবে না। তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ। এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় খুলনার রাজনৈতিক, সামাজিক ও নাগরিক নেতৃবৃন্দের অনেক আন্দোলন সংগ্রাম করতে হয়েছে। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত সম্প্রসারণের স্বার্থে মৎস্য ভবন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে হস্তান্তরের দাবি জানান এবং শহিদ মীর মুগ্ধ’র নামে আবাসিক হল প্রতিষ্ঠার প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেন। একই সাথে শহিদ মীর মুগ্ধ’র নামে মেইন গেটের নামকরণ করায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান।

খুলনা ওয়াসার চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে যেমন বিতর্ক রয়েছে, তেমনি জুলাইযোদ্ধাদের সংখ্যা নিয়েও যাতে ভবিষ্যতে কোনো বিতর্কের সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে এখন থেকেই সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে মীর মুগ্ধের মতো অনেক দেশপ্রেমিক শিক্ষার্থী রয়েছে, যারা ভবিষ্যতে ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। মীর মুগ্ধ নিজের জীবন উৎসর্গ করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। পাশাপাশি তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রকৃত ইতিহাস নতুনভাবে লিপিবদ্ধ করার আহ্বান জানান।

বিসিবির পরিচালক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, বিলাসী জীবনযাপনের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও মীর মুগ্ধ জুলাই আন্দোলনে রাজপথে নেমেছিলেন। আন্দোলন চলাকালে তৃষ্ণার্ত মানুষের মধ্যে পানি বিতরণ করতে গিয়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহাদাৎ বরণ করেন। তিনি বলেন, জুলাই শহিদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার কাজ করছে। আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং জুলাইযোদ্ধাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতেও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি শহিদদের স্বপ্নের বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও আদর্শ রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম বলেন, শহিদ মীর মুগ্ধ মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েও তৃষ্ণার্ত মানুষের হাতে পানি তুলে দিয়েছিলেন। তাঁর এই আত্মত্যাগ তাঁকে মানবিকতার এক অনন্য প্রতীকে পরিণত করেছে। তিনি বলেন, জীবনের মহত্ত্বই মানুষকে যুগ যুগ ধরে স্মরণীয় করে রাখে। মীর মুগ্ধের আত্মত্যাগ অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর প্রেরণা হয়ে থাকবে। তিনি জুলাই শহিদদের স্বপ্নের বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান বলেন, মীর মুগ্ধরা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে দেখিয়ে গেছেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে কীভাবে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে হয়। তাঁদের আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মকে ন্যায়, সাহস ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করবে। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলন ছিল বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। বর্তমান সরকার জুলাই শহিদদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে কাজ করছে এবং তাঁদের স্বপ্নের অর্থনৈতিক ভারসাম্য ও মুক্তি অর্জনে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী বলেন, বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, ততদিন জুলাই আন্দোলন এবং শহিদ মীর মুগ্ধসহ জুলাই শহিদদের আত্মত্যাগ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হবে। তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যতম স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় হলেও এর অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রধান প্রতিবন্ধকতা ভূমির সংকট। শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে তিনি শহিদ মীর মুগ্ধের নামে একটি আবাসিক হল প্রতিষ্ঠায় জনপ্রতিনিধিদের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি জুলাই শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও ছাত্রবিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত বলেন, জুলাই আন্দোলনে শহিদদের আত্মত্যাগ আমাদের দায়িত্ববোধ ও কর্তব্যবোধের শিক্ষা দেয়। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে দেশের সর্বস্তরের মানুষ, শিশু থেকে শুরু করে কিশোর, তরুণ, যুবক ও প্রবীণরা জীবন উৎসর্গ করেছেন। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের চেতনা কখনো হারিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না। নতুন প্রজন্মের জন্য বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারলেই শহিদদের আত্মত্যাগের প্রকৃত মর্যাদা দেওয়া হবে এবং তাঁদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে।

শহিদ মীর মুগ্ধের পিতা মীর মোস্তাফিজুর রহমান এবং শহিদ সাকিব রায়হানের পিতা শেখ আজিজুর রহমান বক্তব্যে জুলাই আন্দোলনের সময় তাঁদের সন্তানদের স্মৃতিচারণ করেন। আবেগঘন স্মৃতিচারণায় তাঁরা শহিদদের আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরে বলেন, দেশের যেকোনো সংকট ও ক্রান্তিকালে শিক্ষার্থীদের ন্যায়, সত্য ও দেশের স্বার্থে সাহসিকতার সঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে। তাঁদের আত্মত্যাগের আদর্শ নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করবে বলেও তাঁরা আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী ছাত্র বিষয়ক পরিচালক মোঃ মতিউর রহমান এবং কানিজ ফাতিমা খুশি। এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষ্যে বাদ মাগরিব কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

https://www.channelkhulna.tv/wp-content/uploads/2021/09/add-space-ck.gif

প্রেস রিলিজ আরও সংবাদ

খুলনা জাগ্রত তরুণ সংঘের নবনির্বাচিত কমিটি ও উপদেষ্টা পরিষদের পরিচিতি সভা

শহীদদের রক্ত নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেলতে চাইলে পরিণতি ভয়াবহ হবে : মাহফুজুর রহমান

শপথ নিতে হবে, শহীদদের এই রক্ত যেন কোনোভাবেই বৃথা না যায়

খুলনায় জুলাই শহিদ দিবস পালিত

কুয়েটে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে ‘জুলাই শহিদ দিবস’ পালিত

স্বাস্থ্য প্রযুক্তিতে নতুন দিগন্ত ‘নিওসেভার’; সরকারি সিড ফান্ডিং পেল উদ্ভাবনী স্টার্টআপ

চ্যানেল খুলনা মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন  
সম্পাদক: মো. হাসানুর রহমান তানজির
It’s An Sister Concern of Channel Khulna Media
© ২০১৮ - ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | চ্যানেল খুলনা.বাংলা, channelkhulna.com.bd, channelkhulna.bd
যোগাযোগঃ ৫ কেডিএ বানিজ্যিক এলাকা, আপার যশোর রোড, খুলনা।
প্রধান কার্যালয়ঃ ৫২/১, রোড- ২১৭, খালিশপুর, খুলনা।
ফোন- 09696-408030, 01704-408030, ই-মেইল: channelkhulnatv@gmail.com
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য অধিদফতরে অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।