
বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, “মহান আল্লাহ বেগম খালেদা জিয়াকে যে সম্মান দিয়েছেন, সেই সম্মানই বিএনপির সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক শক্তি।”
তিনি বলেন, এই সম্মানের জন্য মিল্কি দেড়ার মানুষ মহান রবের নিকট শুকরিয়া আদায় করছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে খুলনার রূপসা উপজেলায় বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আজিজুল বারী হেলাল আরও বলেন, “বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীক বেগম খালেদা জিয়ার জন্য আপনারা মন থেকে দোয়া করবেন। মহান আল্লাহ তাঁকে যে সম্মান দিয়েছেন, তা আপনারা নিজের চোখেই দেখেছেন। আপনারা আমার জন্যও দোয়া করবেন, যেন আমি মানুষের জন্য কাজ করতে পারি।”
সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে তিনি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন। এরপর মিল্কি দেড়ার ওয়ার্ড বিএনপি ও সকল অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি খান মনিরুল ইসলাম।
স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আজিজুল বারী হেলাল বলেন, “আমার প্রিয় জন্মভূমির মানুষ, আমাদের সকলের শ্রদ্ধেয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য আপনাদের এই আয়োজন আল্লাহ কবুল করুন। তাঁর সংগ্রামী জীবনে তিনি অনেক কিছু হারিয়েছেন, কিন্তু কখনো দমে যাননি। এই ত্যাগই আমাদের রাজনৈতিক অনুপ্রেরণা।”
তিনি আরও বলেন, “বিএনপি আমাকে এই অঞ্চলে মনোনয়ন দিয়েছে। আল্লাহ সহায় হলে ইনশাআল্লাহ আমি এই এলাকার মানুষের জন্য অনেক কিছু করতে পারবো। আপনারা ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ডের কথা জানেন। বিএনপি সরকার গঠন করলে দুই হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। তাহলে আমার নির্বাচনী এলাকায় কয়েক হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা সম্ভব নয় কেন? ইনশাআল্লাহ সম্ভব।”
তিনি বলেন, “আমরা সবাই মিলে দেশ গড়বো, মানুষের পাশে দাঁড়াবো।” পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী মাগরিব বাদ আইচগাতীর দেড়ার বটতলায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, এনামুল হক সজল, আব্দুস সালাম মল্লিক, মোল্লা রিয়াজ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রনু, যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা তুহিন, তাতী দলের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম তালুকদার লিটন, বিশিষ্ট সমাজসেবক শেখ আবদার আলী, রাজা মনিরুজ্জামান তছলিম, রেজাউল ইসলাম রেজা, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বাচ্চু, মোশারেফ শিকদার, শাহাবুদ্দিন লাবু, আসাদুল ইসলাম বিপ্লব, মুহিদুল ইসলাম সোহাগ, রাজু মল্লিক, শেখ হৃদয় আহম্মেদ রিপন, জাকারিয়া, ইমতিয়াজ আলী সুজন, হাসান মাহমুদ, রনি জোমাদ্দার, সাজ্জাদ মল্লিক, নাসির ও রহিমসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।


