
কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার তেউরিয়া গ্রামে নবম শ্রেণির ছাত্রী মোছা. ছনিয়া আক্তার (১৫)-এর রহস্যজনক মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। নিজ বাড়ি থেকে গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের বাবা তারু খান গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে আদালতে সাতজনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়। পরিকল্পিতভাবে আমার মেয়ে ছনিয়াকে হত্যা করা হয়েছে বলেন তারু খান।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ১১টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানজিলা আখতারের উপস্থিতিতে কবর থেকে ছনিয়ার মরদেহ উত্তোলন করা হয়। এ সময় নিহতের বাবা তারু খানও উপস্থিত ছিলেন। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
তাড়াইল থানার ওসি (তদন্ত) শেখর রঞ্জন পাল জানান, মামলাটি তদন্তাধীন। আসামিদের বিরুদ্ধে এখনো আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা না থাকায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তারা আত্মগোপনে রয়েছেন। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


