
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী’র নির্বাচনী জনসভার জনস্রোতের মাঝে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির তথ্য সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেন, আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে স্বাভাবিক ও বহুল প্রত্যাশিত নির্বাচনের সাথে রাজনৈতিক দল রাজনৈতিক কর্মীর একটি ওতপ্রত সম্পর্ক অনুভব করি। কাজেই জনগণের প্রত্যাশিত আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারী নির্বাচন হবে জনসাধারণের অধিকার প্রতিষ্ঠার।
ফ্যাসিস্ট সরকার পতন আন্দোলনে তারেক রহমানের ভবিষ্যৎবাণী ‘সত্য হয়েছে’ মন্তব্য করে হেলাল বলেন, আপনারা দেখবেন যে, তারেক রহমান যে কথাগুলি বলেছিলেন সেই কথাগুলি সত্য হয়েছে। তিনি বলেছিলেন, দেশ যাবে কোন পথে ফয়সালা হবে রাজপথে। ফয়সালা কিন্তু রাজপথেই হয়েছে। তিনি বলেছিলেন অদৃশ্য শক্তির সাথে লড়াই করে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে, ঠিকই প্রতিনিয়ত লড়াই করতে হচ্ছে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাক ইহা কেউ কেউ চায়না।
তিনি আরও বলেন, আজকে বিভিন্ন জায়গায় নির্বাচন নিয়ে বাঁধার সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং বিশেষ বিশেষ সময়ে বিশেষ বিশেষ বক্তব্য রেখে বিশেষ করে বিএনপিকে কটাক্ষ করে বক্তব্য রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। আপনারা দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন দেখেছেন, স্বৈরাচারবিরোধী, এরশাদবিরোধী আন্দোলন দেখেছেন জিয়া পরিবার সবচেয়ে দূর্যোগে-দুঃসময়ে জনগণের পাশে ছিল জিয়া পরিবার, জনগণের পাশে ছিলো বিএনপি। আমার নেতা তারেক রহমান দেশের মাটিতে পা রেখেই বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের জন্য রাষ্ট্র গঠনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। আপনারা ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মনিরুল হাসান বাপ্পী কে বিজয়ী করুন। কথা দিচ্ছি বাপ্পী আপনাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে দৃশ্যমান সমস্যা গুলো প্রথমেই সমাধান করবে। সুবিধাবঞ্চিত জনসাধারণের কল্যাকর কাজ ও ন্যায়পরায়ণতা প্রতিষ্ঠা করা হবে। পর্যটন শিল্পের গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা রাখবে এই অঞ্চল। কয়রা-পাইকগাছায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে উন্নয়নশীল অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হবে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারী) বিকেল সাড়ে ৩টায় কয়রা মদিনাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে কয়রা উপজেলা বিএনপি আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভা উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক নূরুল আমিন বাবুলের সভাপতিত্বে ও উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব, জেলা বিএনপি সদস্য এম এ হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা বিএনপির আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু বলেন, আজকে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে একটি দল ষড়যন্ত্র করছে চক্রান্ত করছে। স্বাধীনতার সময়ে যাদের বিতর্কিত ভূমিকা ছিল, তারা আজ নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার পথ খুঁজছে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, নির্বাচন বানচাল করতে আসলে দেশের জনগণ আস্তকুঁড়ে দেশের বাইরে নিক্ষেপ করবে।
খুলনা-৬ আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেন, কয়রা-পাইকগাছার মানুষের সাথে আমার দীর্ঘদিনের আত্নার সম্পর্ক। আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টায় আপনাদের দ্বারে দ্বারে যাওয়ার চেষ্টা করছি, আপনাদের কথা গুলো মনযোগ সহকারে শুনছি কারো ভাই ও কারো সন্তান হিসেবে। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই অঞ্চলের উপরে জরিপ করে ১৪ টি সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য আমাকে এই অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দিয়েছেন, আপনারা ১২ ফেব্রুয়ারী আপনার মূল্যবান ভোট ধানের শীষ প্রতীকে প্রদান করে আমাকে এই ভাংগন কবলিত অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দিন। দলের দেয়া আমানত রক্ষায় ও আপনাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে আজীবন কাজ করবো।
জেলা বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক, কয়রা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এ্যাড. মোমরেজুল ইসলাম বলেন, কয়রা-পাইকগাছা মানুষের সাথে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পদধূলি পড়েছে, সেই থেকে বিএনপি ঘাটি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। জোটগত কারনে জোটের প্রার্থীকে এই অঞ্চলের মানুষ নির্বাচিত করেছি। কিন্তু তারা বরাবরই এই অঞ্চলের মানুষকে উন্নয়ন বঞ্চিত করেছে। এইবার জনগণের মাঝে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দিয়ে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। ধানের শীষ সকলের পছন্দের প্রতীক, তাই সর্বাধিক ভোট দিয়ে ইতিহাস গড়তে চায় কয়রা-পাইকগাছার জনসাধারণ।
নির্বাচনী জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও খুলনা জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এ্যাডঃ মোমরেজুল ইসলাম, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা খায়রুল ইসলাম, মোঃ তৈয়বুর রহমান, কামরুজ্জামান টুকু ও এনামুল হক সজল।
আরও বক্তব্য রাখেন, খুলনা জেলা যুবদলের সদস্য সচিব শেখ নাদিমুজ্জামান জনি, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, খুলনা জেলা জাসাসের আহবায়ক শহিদুল ইসলাম শহিদ, জেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব আবু সাঈদ, জেলা মহিলাদলের সাধারন সম্পাদক সেতারা সুলতানা, খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য জাফরী নেওয়াজ চন্দন, আলহাজ্ব মনিরুজ্জামান বেল্টু, আলহাজ্ব আবু সাইদ বিশ্বাস, রুপসা উপজেলা বিএনপি আহবায়ক মোল্লা সাইফুল ইসলাম, মোল্লা কবির হোসেন, নাজমুস সাকির পিন্টু, ওহিদুজ্জামান বাবলু, কয়রা আইনজীবী সমিতির সভাপতি বিএনপি নেতা এ্যাডঃ শেখ আঃ রশিদ, বায়জিদ হোসেন, এফ এম মনিরুজ্জামান মনি, এস এম এ রহিম, এ্যাডঃ মঞ্জুর আলম নান্নু, গাজী সিরাজুল ইসলাম, আঃ মজিদ মিস্ত্রি, জিএম রফিকুল ইসলাম, শেখ সিরাজুল ইসলাম, আব্দুস সামাদ, প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ, শেখ সালাউদ্দিন লিটন, মোস্তাফিজুর রহমান, কোহিনুর ইসলাম, গাজী সিরাজুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান, মাওলানা গোলাম মোস্তফা, নুর মোহাম্মদ জমিদার, আবুল বাশার ডাবলু, প্রভাষক মঞ্জুর মোর্শেদ, মহররম হোসেন, শেখ মাসুদুর রহমান, নাজমুল হুদা, মোস্তাফিজুর রহমান, ডাঃ নুরুল ইসলাম খোকন, আঃ রহমান বাচ্চু, এ্যাডঃ আনিছুর রহমান, কামরুল ইসলাম, ফয়জুল করিম খোকন, কোহিনূর আলম, আয়ুব আলী, ওসমানী গনি, বাংলা কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মোকলেছুর রহমান, উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক এস এম গোলাম রসুল, সদস্য সচিব আবু সাঈদ মালী, খুলনা জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা আইয়ুব হোসেন, জাবীর আলী, ইঞ্জিঃ জাহিদুর রহমান শোভন, রুবেল মীর, মমিনুর রহমান সাগর, কয়রা উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মোঃ শরিফুল আলম, সদস্য সচিব মোহতাসিম বিল্লাহ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাসুম বিল্লাহ, সাবেক সহ-সভাপতি মশিউর রহমান শফিক, মিল্টন মন্ডল, যুবদল নেতা এহসানুর রহমান, আকবর হোসেন, আবুল কালাম আজাদ কাজল, আসাদুল ইসলাম, আহাদুর রহমান লিটন, আনারুল ডাবলু, হাফিজুর রহমান, জাহিদুল ইসলাম, পীর আলী, ইউনুস আলী, দেলোয়ার হোসেন, রফিক, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নূরুল ইসলাম খোকা, সদস্য সচিব ডিএম হেলাল উদ্দিন, শ্রমিকদলের সভাপতি আকবার হোসেন, সাধারণ আঃ রউফ, জাসাসের সভাপতি জামাল ফারুক জাফরিন, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ আমিনুল ইসলাম, তাঁতীদলের সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, মৎস্যজীবি দল নেতা মোঃ আছের আলী, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আরিফ বিল্লাহ সবুজ, কপোতাক্ষ কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক মামুন হোসেন, মেহেদী হাসান সবুজ, আলমগীর হোসেন টিটু, ইমরান হোসেন প্রমুখ।
কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে কয়রা-পাইকগাছাকে উন্নয়নশীল অঞ্চলে প্রতিষ্ঠা করা হবে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী’র নির্বাচনী জনসভার জনস্রোতের মাঝে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির তথ্য সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেন, আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে স্বাভাবিক ও বহুল প্রত্যাশিত নির্বাচনের সাথে রাজনৈতিক দল রাজনৈতিক কর্মীর একটি ওতপ্রত সম্পর্ক অনুভব করি। কাজেই জনগণের প্রত্যাশিত আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারী নির্বাচন হবে জনসাধারণের অধিকার প্রতিষ্ঠার।
ফ্যাসিস্ট সরকার পতন আন্দোলনে তারেক রহমানের ভবিষ্যৎবাণী ‘সত্য হয়েছে’ মন্তব্য করে হেলাল বলেন, আপনারা দেখবেন যে, তারেক রহমান যে কথাগুলি বলেছিলেন সেই কথাগুলি সত্য হয়েছে। তিনি বলেছিলেন, দেশ যাবে কোন পথে ফয়সালা হবে রাজপথে। ফয়সালা কিন্তু রাজপথেই হয়েছে। তিনি বলেছিলেন অদৃশ্য শক্তির সাথে লড়াই করে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে, ঠিকই প্রতিনিয়ত লড়াই করতে হচ্ছে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাক ইহা কেউ কেউ চায়না।
তিনি আরও বলেন, আজকে বিভিন্ন জায়গায় নির্বাচন নিয়ে বাঁধার সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং বিশেষ বিশেষ সময়ে বিশেষ বিশেষ বক্তব্য রেখে বিশেষ করে বিএনপিকে কটাক্ষ করে বক্তব্য রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। আপনারা দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন দেখেছেন, স্বৈরাচারবিরোধী, এরশাদবিরোধী আন্দোলন দেখেছেন জিয়া পরিবার সবচেয়ে দূর্যোগে-দুঃসময়ে জনগণের পাশে ছিল জিয়া পরিবার, জনগণের পাশে ছিলো বিএনপি। আমার নেতা তারেক রহমান দেশের মাটিতে পা রেখেই বিভিন্ন
শ্রেনী পেশার মানুষের জন্য রাষ্ট্র গঠনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। আপনারা ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মনিরুল হাসান বাপ্পী কে বিজয়ী করুন। কথা দিচ্ছি বাপ্পী আপনাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে দৃশ্যমান সমস্যা গুলো প্রথমেই সমাধান করবে। সুবিধাবঞ্চিত জনসাধারণের কল্যাকর কাজ ও ন্যায়পরায়ণতা প্রতিষ্ঠা করা হবে। পর্যটন শিল্পের গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা রাখবে এই অঞ্চল। কয়রা-পাইকগাছায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে উন্নয়নশীল অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হবে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারী) বিকেল সাড়ে ৩টায় কয়রা মদিনাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে কয়রা উপজেলা বিএনপি আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভা উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক নূরুল আমিন বাবুলের সভাপতিত্বে ও উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব, জেলা বিএনপি সদস্য এম এ হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা বিএনপির আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু বলেন, আজকে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে একটি দল ষড়যন্ত্র করছে চক্রান্ত করছে। স্বাধীনতার সময়ে যাদের বিতর্কিত ভূমিকা ছিল, তারা আজ নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার পথ খুঁজছে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, নির্বাচন বানচাল করতে আসলে দেশের জনগণ আস্তকুঁড়ে দেশের বাইরে নিক্ষেপ করবে।
খুলনা-৬ আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেন, কয়রা-পাইকগাছার মানুষের সাথে আমার দীর্ঘদিনের আত্নার সম্পর্ক। আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টায় আপনাদের দ্বারে দ্বারে যাওয়ার চেষ্টা করছি, আপনাদের কথা গুলো মনযোগ সহকারে শুনছি কারো ভাই ও কারো সন্তান হিসেবে। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই অঞ্চলের উপরে জরিপ করে ১৪ টি সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য আমাকে এই অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দিয়েছেন, আপনারা ১২ ফেব্রুয়ারী আপনার মূল্যবান ভোট ধানের শীষ প্রতীকে প্রদান করে
আমাকে এই ভাংগন কবলিত অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দিন। দলের দেয়া আমানত রক্ষায় ও আপনাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে আজীবন কাজ করবো।
জেলা বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক, কয়রা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এ্যাড. মোমরেজুল ইসলাম বলেন, কয়রা-পাইকগাছা মানুষের সাথে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পদধূলি পড়েছে, সেই থেকে বিএনপি ঘাটি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। জোটগত কারনে জোটের প্রার্থীকে এই অঞ্চলের মানুষ নির্বাচিত করেছি। কিন্তু তারা বরাবরই এই অঞ্চলের মানুষকে উন্নয়ন বঞ্চিত করেছে। এইবার জনগণের মাঝে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দিয়ে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। ধানের শীষ
সকলের পছন্দের প্রতীক, তাই সর্বাধিক ভোট দিয়ে ইতিহাস গড়তে চায় কয়রা-পাইকগাছার জনসাধারণ।
নির্বাচনী জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও খুলনা জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এ্যাডঃ মোমরেজুল ইসলাম, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা খায়রুল ইসলাম, মোঃ তৈয়বুর রহমান, কামরুজ্জামান টুকু ও এনামুল হক সজল।
আরও বক্তব্য রাখেন, খুলনা জেলা যুবদলের সদস্য সচিব শেখ নাদিমুজ্জামান জনি, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, খুলনা জেলা জাসাসের আহবায়ক শহিদুল ইসলাম শহিদ, জেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব আবু সাঈদ, জেলা মহিলাদলের সাধারন সম্পাদক সেতারা সুলতানা, খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য জাফরী নেওয়াজ চন্দন, আলহাজ্ব মনিরুজ্জামান বেল্টু, আলহাজ্ব আবু সাইদ বিশ্বাস, রুপসা উপজেলা বিএনপি আহবায়ক মোল্লা সাইফুল ইসলাম, মোল্লা কবির হোসেন, নাজমুস সাকির পিন্টু, ওহিদুজ্জামান বাবলু, কয়রা আইনজীবী সমিতির সভাপতি বিএনপি নেতা এ্যাডঃ শেখ আঃ রশিদ, বায়জিদ হোসেন, এফ এম মনিরুজ্জামান মনি, এস এম এ রহিম, এ্যাডঃ মঞ্জুর আলম নান্নু, গাজী সিরাজুল ইসলাম, আঃ মজিদ মিস্ত্রি, জিএম রফিকুল ইসলাম, শেখ সিরাজুল ইসলাম, আব্দুস সামাদ, প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ, শেখ সালাউদ্দিন লিটন, মোস্তাফিজুর রহমান, কোহিনুর ইসলাম, গাজী সিরাজুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান, মাওলানা গোলাম মোস্তফা, নুর মোহাম্মদ জমিদার, আবুল বাশার ডাবলু, প্রভাষক মঞ্জুর মোর্শেদ, মহররম হোসেন, শেখ মাসুদুর রহমান, নাজমুল হুদা, মোস্তাফিজুর রহমান, ডাঃ নুরুল ইসলাম খোকন, আঃ রহমান বাচ্চু, এ্যাডঃ আনিছুর রহমান, কামরুল ইসলাম, ফয়জুল করিম খোকন, কোহিনূর আলম, আয়ুব আলী, ওসমানী গনি, বাংলা কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মোকলেছুর রহমান, উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক এস এম গোলাম রসুল, সদস্য সচিব আবু সাঈদ মালী, খুলনা জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা আইয়ুব হোসেন, জাবীর আলী, ইঞ্জিঃ জাহিদুর রহমান শোভন, রুবেল মীর, মমিনুর রহমান সাগর, কয়রা উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মোঃ শরিফুল আলম, সদস্য সচিব মোহতাসিম বিল্লাহ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাসুম বিল্লাহ, সাবেক সহ-সভাপতি মশিউর রহমান শফিক, মিল্টন মন্ডল, যুবদল নেতা এহসানুর রহমান, আকবর হোসেন, আবুল কালাম আজাদ কাজল, আসাদুল ইসলাম, আহাদুর রহমান লিটন, আনারুল ডাবলু, হাফিজুর রহমান, জাহিদুল ইসলাম, পীর আলী, ইউনুস আলী, দেলোয়ার হোসেন, রফিক, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নূরুল ইসলাম খোকা, সদস্য সচিব ডিএম হেলাল উদ্দিন, শ্রমিকদলের সভাপতি আকবার হোসেন, সাধারণ আঃ রউফ, জাসাসের সভাপতি জামাল ফারুক জাফরিন, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ আমিনুল ইসলাম, তাঁতীদলের সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, মৎস্যজীবি দল নেতা মোঃ আছের আলী, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আরিফ বিল্লাহ সবুজ, কপোতাক্ষ কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক মামুন হোসেন, মেহেদী হাসান সবুজ, আলমগীর হোসেন টিটু, ইমরান হোসেন প্রমুখ।


