
অনেকের দিনের শুরুই হয় এক কাপ কফি দিয়ে। কারও কারও ক্ষেত্রে দিনে ৪–৫ কাপ কফি না হলে যেন কাজেই মন বসে না। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত কফি পান শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে নানা জটিলতা তৈরি করতে পারে।
**ঘুমের ব্যাঘাত**
কফিতে থাকা ক্যাফেইন স্নায়ুকে উদ্দীপিত করে। ফলে অতিরিক্ত কফি খেলে অনিদ্রা, ঘুম ভেঙে যাওয়া বা গভীর ঘুমে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
**পেটের সমস্যা**
বেশি কফি অ্যাসিড নিঃসরণ বাড়ায়। এতে গ্যাস, অম্বল, বুকজ্বালা কিংবা অ্যাসিডিটির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
**হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি**
অতিরিক্ত ক্যাফেইন হৃদস্পন্দন দ্রুত করে দিতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে বুক ধড়ফড় বা অস্বস্তি অনুভূত হতে পারে, যা হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
**উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি**
যাদের আগে থেকেই উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে বেশি কফি রক্তচাপ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই এ ধরনের ব্যক্তিদের কফি গ্রহণে সতর্ক থাকা উচিত। বিকল্প হিসেবে পর্যাপ্ত পানি পান করা ভালো।
**উদ্বেগ ও মানসিক চাপ**
অতিরিক্ত কফি স্নায়ুচাপ বাড়াতে পারে। এতে অস্থিরতা, উৎকণ্ঠা ও মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দিনে ১–২ কাপ কফি সীমার মধ্যে থাকাই নিরাপদ। দুধ-চিনি ছাড়া ব্ল্যাক কফি তুলনামূলকভাবে ভালো বিকল্প হতে পারে। তবে ব্যক্তিভেদে সহনশীলতা ভিন্ন হওয়ায় নিজের শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় কফি পান করাই বুদ্ধিমানের কাজ।


