
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য, খুলনা মহানগরী সেক্রেটারি ও খুলনা-২ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল বলেছেন, আল্লাহর জমিনে আইন চলবে আল্লাহর।” মানব রচিত আইনে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়নি, হবেও না। তিনি আরও বলেন, দ্বীন কায়েমের আন্দোলন নারী-পুরুষ সকলের জন্য ফরজ। এই ফরজ বিধান পালনে মাল ও জান কুরবানি করা আল্লাহর আদেশ। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে দ্বীন কায়েমের চূড়ান্ত কর্মসূচি হিসেবে গ্রহণ করে ইসলামী সমাজ বিনির্মাণে যা যা করণীয় তার সবটুকু করতে হবে। জামায়াতে ইসলামী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত একটি কল্যাণ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায় উল্লেখ করে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের অতীতের মতো জনগণের যেকোন প্রয়োজনে পাশে থাকার আহ্বান জানান। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে খুলনা-২ আসনের সদর থানাধীন ৩০ নং ওয়ার্ডের চানমারি বাজার এলাকায় গণসংযোগকালে তিনি এ সব কথা বলেন।
এ সময় তার সঙ্গে উপস্তিত ছিলেন খুলনা সদর থানা আমীর এস এম হাফিজুর রহমান, ৩০নং ওয়ার্ড আমীর আব্দুল ওয়াহেদ, সেক্রেটারি আল আমিন জমাদ্দার, লিটন, আরিফ মোল্লাসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এ ছাড়া তিনি সোনাডাঙ্গা থানাধীন ১৬ নং ওয়ার্ডের সিএন্ডবি কলোনি মাঠে হামদ নাত ও ক্বিরাত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন। আব্দুস সাওার বিস্বাসের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি প্রিন্সিপাল শেখ জাহাঙ্গীর আলম, কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা শাহারুল ইসলাম, সোনাডাঙা থানা আমীর জি এম শহিদুল ইসলাম, জুয়েল বিস্বাস প্রমুখ।
এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল আরও বলেন, ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হলে নারীদের স্বাধীনতা, অধিকার ও মর্যাদা রাষ্ট্র কর্তৃক নিশ্চিত করা হবে।” জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারীদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার নিশ্চয়তা দিয়ে তিনি বলেন, ইসলাম ব্যতীত কোনো ধর্ম বা বিধান নারীদের এভাবে সম্মানিত ও মর্যাদাবান করেনি। আল্লাহর আইনে নারী-পুরুষ কিংবা ধর্ম-বর্ণের কোনো বৈষম্য নেই। আল্লাহর আইনে মানুষ হিসেবে সকলেই সমান। তাই ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে দলমত-ধর্মবর্ণ-জাতিগোষ্ঠীর বৈষম্য দূর করতে হবে। ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব নয়।


