খুলনা মহানগরীতে সংক্রমক ব্যাধি বিষয়ে ইপিআই (এক্সপ্যান্ডেড প্রোগ্রাম অন ইমিউনাইজেশন) সার্ভিলেন্স কার্যক্রমের ত্রৈমাসিক সভা বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরীর শেরে বাংলা রোডস্থ নগর স্বাস্থ্য ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনার আলোকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) স্বাস্থ্য বিভাগ এ সভার আয়োজন করে।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে খুলনা সিটি করপোরেশন দেশের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। আসন্ন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইনও শতভাগ সফল করতে হবে।
তিনি স্বাস্থ্যকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় কোনো শিশু টিকাদান কর্মসূচির বাইরে রয়ে গেছে কি না, তা নিবিড়ভাবে নজরদারিতে রাখতে হবে। বাদ পড়া শিশুদের টিকার আওতায় আনার দায়িত্ব স্বাস্থ্যকর্মীদেরই। সবাই সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করলে এ সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে। মাঠপর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে কোনো সমস্যা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করারও নির্দেশ দেন তিনি।
কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইউনিসেফ-খুলনার ন্যাশনাল ইপিআই স্পেশালিস্ট তাপস কুমার হালদার এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সার্ভিলেন্স ইমিউনাইজেশন মেডিকেল অফিসার নাজমুর রহমান সজিব। সভা পরিচালনা করেন কেসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মীউল ইসলাম।
এর আগে সকালে কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পানি নিষ্কাশনের প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করতে পরিদর্শনে যান। তিনি কেডিএ অ্যাপ্রোচ রোড, হাজী ইসমাইল রোড, নবীনগরের বিভিন্ন ড্রেন, সোনাডাঙ্গার সবুজবাগ এলাকা এবং মিয়াপাড়া এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি পল্লীমঙ্গল মাদরাসা সংলগ্ন পুকুরের কচুরিপানা এবং নবীনগর চশমা গলির উভয় পাশের ঝোপঝাড় দ্রুত পরিষ্কার করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি নবীনগর, সবুজবাগ এলাকা ও সেন্ট্রাল রোডের ড্রেনগুলোর পলি ও মাটি অপসারণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান করেন।
এ সময় কেসিসির প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, সমাজসেবক মো: আসাদুজ্জামান মুরাদ, কামরান হাসানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


