
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি দুটি মধ্যস্থতাকারী দেশের মাধ্যমে তেহরানে পাঠানো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা কমানো বা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে এ কথা জানান তিনি।
ওই কর্মকর্তা বলেন, খামেনির প্রথম পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক অধিবেশনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার ব্যাপারে তার অবস্থান ছিল ‘অত্যন্ত কঠোর ও গুরুতর’। তবে নেতা নিজে অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন কি না, তা তিনি স্পষ্ট করেননি।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল যুদ্ধ তৃতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত অন্তত ২ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে এবং সংঘাতের কোনো সমাপ্তির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ পুনরায় চালু করার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সহায়তার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়েছে এবং মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, সর্বোচ্চ নেতা বলেছেন, ‘যতক্ষণ না যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল নতজানু হয়ে পরাজয় স্বীকার করছে এবং ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে, ততক্ষণ শান্তির জন্য এটি সঠিক সময় নয়।’


