
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেছেন, ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা দুনিয়াতে কষ্ট করে আখিরাতের মুক্তির লাভ খুজতে হবে, কারন আখিরাত দীর্ঘস্থায়ী| মৃত্যুর আগে সকল ঋন পরিশোধ করতে হবে, সাদাকায়ে জারিয়ার কাজ করে যেতে হবে| বর্তমান সরকারের কাছে আহ্বান জানাই শিশু থেকে মাস্টার্স পর্যন্ত সকল ক্লাসের শিক্ষার্থীদের জন্য কুরআনের শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে|
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম এখন গণমানুষের দলে পরিনত হয়েছে, এখন এদেশের গনমানুষর প্রিয় নেতা আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান| সারা বাংলাদেশের মানুষের কাছে জামায়াত এখন বিশ্বস্ত দল, মানুষ এখন জামায়াতকে আগামী দিনে ক্ষমতায় দেখতে চায়|
তিনি বলেন, একটি উন্নত কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য জামায়াতের দায়িত্বশীলদের সব সময় সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে| এছাড়াও এদেশের জনগণ যদি জামায়াতকে তাদের সেবা করার দায়িত্ব প্রদান করেন তাহলে জামায়াতে ইসলামী সেই দায়িত্ব সততা আন্তরিকতা ও দক্ষতার সহিত পালন করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে বলেনও তিনি মন্তব্য করেন|
শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে খুলনা সদর থানা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে ইউনিট, ওয়ার্ড সভাপতি ও সেক্রেটারি শিক্ষা বৈঠক’২৬ এ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ আহবান জানান|
খুলনা সদর থানা জামায়াতে ইসলামীর আমীর এস এম হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি আব্দুস সালামের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা মহানগরী সেক্রেটারি এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল এমপি| অনুষ্ঠানের শুরুতেই দারসুল কুরআন পেশ করেন সদর থানার ওলামা বিভাগীয় সেক্রেটারি হাফেজ মাওলানা সাইফুল্লাহ|
অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন খুলনা সদর থানা জামায়তের সহকারী সেক্রেটারি মো. হুমায়ুন কবীর, বায়তুল সেক্রেটারি মোয়াজ্জম হোসাইন, দপ্তর সম্পাদক মাওলানা নাসির উদ্দিন, ২৪ নং ওয়ার্ড আমীর মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন, ২৮ নং ওয়ার্ড আমীর মাওলানা সিরাজ বিন ইয়াকুব, ৩০ নং ওয়ার্ড আমীর মাওলানা আব্দুল ওয়াহেদ, ২১ নং ওয়ার্ড সভাপতি মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন, ২৩ নং ওয়ার্ড সেক্রেটারি মাওলানা সাব্বির তরফদার, ২৯ নং ওয়ার্ড সেক্রেটারি জুবায়ের শেখ জুয়েল, ২১ নং ওয়ার্ডের সেক্রেটারি মাওলানা মিজানুর রহমান প্রমুখ|
মহানগরী আমীর আরও বলেন, সমাজ সংস্কৃতি ও সুন্দর জীবন পরিচালনা করতে আল্লাহর দেয়া বিধান অনুসরণের বিকল্প কিছু নেই| নামাজ পড়া রোযা রাখা যেমন আল্লাহর নির্দেশ, তেমনি অর্থনৈতিক রাজনৈতিক সামাজিক থেকে শুরু করে ব্যক্তির পারিবারিক সকল ক্ষেত্রে সেই আল্লাহকে একমাত্র ইলাহ হিসেবে মেনে নেয়া হচ্ছে ঈমানের পূর্ণতা| সেই সত্য আহ্বান মানুষের কাছে পৌঁছিয়ে দিতে হবে| আপনাদের সবার কাছে আমাদের দাওয়াত হল, মহান আল্লাহর বিধান সকল স্থানে বাস্তবায়ন করতে হবে এবং প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.) যে সুন্দর সমাজ রাষ্ট্র গঠন করেছিলেন, জামায়াত বাংলাদেশে সেই সমাজ প্রতিষ্ঠা করার ¯^প্ন দেখে| সে লক্ষ্যে আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী সংঘবদ্ধভাবে এই জমিনে দ্বীন ইসলাম বিজয়ের জন্য সাধারণ ধর্মপ্রাণ জনগোষ্ঠীকে ঐক্যবদ্ধ করার প্রচেষ্টা অব্যাহত ভাবে আমরা কাজ করে যাচ্ছি| রাসূল (সা.) একদল যোগ্য লোক ˆতরী করে সোনার মদিনা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, আমরাও একইভাবে সেই কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ¯^প্ন দেখি| বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এদেশে রাসূল (সা.) এর আদর্শের আলোকে সোনার মানুষ ˆতরি করতে চাই| যাদের দ্বারা দেশ ও জাতি সত্যিকার অর্থে কল্যাণ লাভ করবে|


