দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের প্রথম ভিডিও নিউজ পোর্টাল

খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল অভ্যন্তরে রূপসা ৮০০ মেঃওঃ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে - চ্যানেল খুলনা

খুলনা, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, সোমবার, ২৫ মে ২০২০

 সর্বশেষ সংবাদ:

নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী প্রায় ৮ হাজার ৮১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে

খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল অভ্যন্তরে রূপসা ৮০০ মেঃওঃ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে

চ্যানেল খুলনা প্রকাশিত হয়েছে: বুধবার, ৭ আগস্ট ২০১৯, ৫:০৬ : পূর্বাহ্ণ

 

ফকির শহিদুল ইসলামঃ খুলনা মহানগরীর খালিশপুরে বন্ধকৃত নিউজপ্রিন্ট মিলের অভ্যন্তরে প্রায় ৮ হাজার ৮১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানীর রূপসা ৮০০ মেঃওঃ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের নির্মান কাজ । প্রকল্প নির্মান কাজ বাস্তবায়নে বন্ধকৃত নিউজপ্রিন্ট মিলস্ লিঃ এর জায়গায় এই মেঘা প্রকল্পটি ২০২২ সালের জুনের মধ্যে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হবে ।দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে বর্তমান সরকার চুরান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে ।দেশের বৃহত্ত এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বিদ্যুৎ বিভাগের সাবসিডিয়ারী প্রতিষ্ঠান নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড (এন,ডব্লিউ,পি,জি,সি,এল)। ৮০০ মেঃওঃ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) ও ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইডিএ) ৬ হাজার ২৩৮ কোটি টাকা অর্থায়ন করবে এবং অবশিষ্ট অর্থ জোগান দেবে সরকার। পরিকল্পনা কমিশনের এক কর্মকর্তা জানান, ৫০ একর জমির ওপর এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এতে প্রাকৃতিক গ্যাস প্রধান জ্বালানি এবং এইচএসডি বিকল্প জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হবে।খুলনায় ৮ হাজার মেগাওয়াটের এই বিদ্যুৎ প্রকল্পটির লক্ষ্য অর্জনের অংশ হিসেবে গৃহীত হয়েছে। প্রকল্পটি গৃহীত হওয়ার পর শুরু হয়েছে নিউজপ্রিন্ট মিল অভ্যন্তরে বিশাল কর্মযজ্ঞ । নতুন এই প্লান্টের প্রজেক্টে ম্যানেজার মোঃ এজাজ মামুন জানান, আমরা ইতিমধ্যে /প্রকল্প এলাকার স্থাপিত খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল্‌স মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন সরিয়ে ফেলা হয়েছে । বর্তমানে নিউজপ্রিন্ট মিল্‌স মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবন স্থাপনা নির্মাণের লক্ষে পাইলিং কাজ চলছে। স্কুল নির্মানে গত ০৫/০৫/২০১৯ তারিখে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি সাক্ষর সম্পন্ন হয়েছে । প্রকল্প এলাকায় অবস্থিত গাছপালা ও পুরানো বিল্ডিংসমূহ ভেঙ্গে কাজের উপযোগী হিসেবে গড়ে তুলতে গত ০২/০৫/২০১৯ তারিখে প্রকাশ্য নিলাম ডাকা হয় । নিলামে সর্বচ্চ দরদাতা স্থানীয় একটি ঠিকাদারের সাথে নিলাম বিক্রয় চুক্তি সম্পন্ন করা হয়েছে। এবং চুক্তি অনুযায়ী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান পুরাতন গাছপালা কেটে নেওয়া এবং পুরানো বিল্ডিংসমূহ ভেঙ্গে ফেলার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ।

প্রজেক্ট ম্যানেজার মোঃ এজাজ মামুন জানান,(নওপাজেকো) রূপসা ৮০০ মেঃওঃ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র সরকারের  অগ্রাধিকার প্রকল্প। অগ্রাধিকার এ প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে আমারা দিনভর কাজ করে যাচ্ছি । কারন এই বড় প্রকল্পটি বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত অগ্রাধিকার প্রকল্প ।দক্ষিণাঞ্চল তথা দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে সরকার এ সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে । সরকারের সেই সিদ্ধান্ত দ্রুত সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগের নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড বাস্তবায়নে দৃড় প্রতিজ্ঞ । নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি কাজের মানের ব্যাপারে সব সময় উন্নত ও টেকসই প্রযুক্তি ব্যাবহার করে । তিনি দৃড়তার সাথে জানান,যে ভাবে কাজ শুরু করা হয়েছে তাতে সরকারের বেঁধে দেয়া ২০২২ সালের জুন মাসের মধ্যেই রূপসা ৮০০ মেঃওঃ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন শুরুর লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হবে । সরকার ২০২১ সালের মধ্যে প্রত্যেক বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছানো এবং একই সময়ে লোড শেডিং হ্রাসে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এ লক্ষ বাস্তবায়নে বিভিন্ন স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। খুলনায় ৮ হাজার মেগাওয়াটের এই বিদ্যুৎ প্রকল্পটিও সেই লক্ষ্য অর্জনের অংশ হিসেবে বাস্তবায়িত হচ্ছে ।

জানাগেছে, সরকারের এই অগ্রাধিকার প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে প্লান্ট নির্মানস্থলে দ্রুত চলাচলের সুবিধার্থে প্রয়োজন হয় একটি নতুন গেইট নির্মানের । গেইট নির্মিত স্থানে বাধা হয়ে পড়ে ঐ স্থানে দির্ঘ সময় ধরে ঘর বানিয়ে বসবাসকারী ৯টি পরিবার। ফলে এই গেইট নির্মানের স্থানে দির্ঘদিন যাবত বসবাসকারীরা হযে পড়েন ক্ষতির সম্মুক্ষিন । তাদের এই ক্ষতি পুশিয়ে দিতে এগিয়ে আসে নর্থ ওয়েষ্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী । কোম্পানী তাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা মুলক কাজের অংশ হিসেবে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদানে এগিয়ে আসে । প্রতিটি পরিবার ও প্রতিষ্ঠানকে ব্যাংক চেকের মাধ্যমে এই আর্থিক সহায়তার অর্থ তাদের হাতে তুলে দেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক । তিনি আজ মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় নগরীর জোড়াগেট কোরবনীর গরুর হাট উদ্ধোধন অনুষ্ঠান মঞ্চে ক্ষতিগ্রস্থ ৯টি পরিবারকে এই চেক বিতরন করেন । চেক বিতরনকালে নর্থ ওয়েষ্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানীর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন নর্থ ওয়েষ্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী খুলনার প্রজেক্ট ম্যানেজার মোঃ এজাজ মামুন । চেক প্রাপ্ত ক্ষতিগ্রস্থরা হলেন মুর্শিদা আক্তার নাজমা, রাবিয়া বেগম, মেসার্স এস এস ট্রেডার্স, মেসার্স সোহাগ ব্রাদার্সসহ মোট নয়টি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে ক্ষতিপুরনের ছয় লক্ষ টাকার চেক প্রদান করা হয় ।

প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকার এ মেঘা প্রকল্প বাস্তবায়নের শুরুতেই নিলাম প্রক্রিয়ায় অনিয়ম

জানাগেছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের ৫ ও ৬ তারিখে দু’টি পত্রিকায়  প্রকল্প এলাকায় অবস্থিত  যা কিছু আছে তা বিক্রি করতে নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী। ওই নিলাম বিজ্ঞপ্তি সোনালী ব্যাংকের নজরে আসার পরপরই নড়েচড়ে বসে ব্যাংকটি। ২৭ ফেব্রুয়ারি ব্যাংকের কাছে দ্বায়বদ্ধ থাকা সম্পত্তির কীভাবে নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলো তা জানতে চেয়ে বিসিআইসি’র চেয়ারম্যানকে চিঠি দেয় সোনালী ব্যাংক। ওই চিঠিতে দ্রুত ব্যাংকের সব দায় দেনা পরিশোধের অনুরোধ জানায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। আর দ্বায় দেনা পরিশোধ না করে নিউজপ্রিন্ট মিলের কোনো স্থাপনা বা কোনো কিছুর ক্ষতি করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও হুমকি দেয় ব্যাংকটি। কিন্ত সোনালী ব্যাংকের হুমকি ছিলো দায়সারা । দায়সারা হুমকি না হলে কিভাবে নিলাম করা হয় এবং নিলামের সমস্ত মালামাল নদীপথে নিয়ে যায় । এ ক্ষেত্রে সোনালী ব্যাংক থানা পুলিশের কোন সহায়তা না নেওয়াই নিরবতার লক্ষন বলে একটি সুত্র জানায় ।

তবে অভিযোগ উঠছে নিউজপ্রিন্ট মিলের বিক্রি করা ৫০ একর আবাসিক এলাকার মধ্যে রয়েছে আম, জাম, কাঁঠাল, নারকেল, সেগুন, সিরিজসহ বিভিন্ন প্রজাতির এক হাজার ৪৯৭টি গাছ। ওই গাছগুলো বয়স ২০ থেকে ৫০ বছর। এ ছাড়া রয়েছে কয়েকটি আবাসিক ভবন, কর্মকর্তাদের বাংলো, মিলনায়তন, শ্রমিক কলোনি, মসজিদ, স্কুল ও মাদরাসা।  ৫০ একরের  প্রকল্প এলাকায় অবস্থিত গাছপালা ও পুরানো বিল্ডিংসমূহর মুল্য বিসিআইসির প্রাকলন করা হয় প্রায় ১০/১২ কোটি টাকা । কিন্ত নর্থ ওয়েষ্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানীর নিলাম সংশ্লিষ্ঠ কর্মকর্তারা স্থানীয় একটি সিন্ডিকেট চক্রের সাথে যোগসাজসে প্রকল্প এলাকায় অবস্থিত গাছপালা ও পুরানো বিল্ডিংসমূহ ভ্যাটসহ মাত্র ১কোটি ৬৫ লক্ষ টাকায় নিলামে বিক্রি করে দেন । নিলাম বিক্রয়কালে বিসিআইসির একজন প্রতিনিধি থাকার নিয়ম থাকলেও (নওপাজেকো)র খুলনার কতিপয় কর্মকর্তা এবং সিন্ডিকেটের দৌরাত্বের কারনে পানির দড়ে বিক্রয়  করা হয় । এই কম মুল্যে বিক্রয়ের একটি বিরাট অংকের অর্থ লোপাট করে ঐ কর্মকর্তা এবং সিন্ডিকেট সদস্যরা । আর সেই কারনে গাছপালা ও পুরানো বিল্ডিং অপসারন করা হয় নদীপথে । নিউজপ্রিন্ট মিলের প্রধান ফটক থেকে নিলামের কোন মালামাল বের করা হয়নি । ঐ সিন্ডিকেট শুধু গাছপালা ও পুরানো বিল্ডিংই নিচ্ছে না সাথে নিচ্ছে রাতের অন্ধকারে মিলের মুল্যবান যন্ত্রাংশ এবং লোহা,তামা,পিতল সরিয়ে নেয়া হচ্ছে । ফলে বির্তকিত ঐ নিলাম নিয়ে মিল সংশ্লিষ্ঠ এলাকায় দেখা দিয়েছে চাপা ক্ষোভ । নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক নিউজপ্রিন্ট মিলের সাবেক এক শ্রমিকনেতা জানান, প্রকল্প এলাকায় অবস্থিত গাছপালা ও পুরানো বিল্ডিংসমূহর মুল্য বিসিআইসির প্রাকলন এবং তরিঘরি করে (নওপাজেকো)র নিলাম প্রক্রিয়া দুদক কর্তৃক তদন্ত করা হলে বেরিয়ে আসবে কি পরিমান অর্থ এই নিলাম প্রক্রিয়া থেকে দুর্ণীতি করা হয়েছে ।
১৪৯৭টি গাছ, গাছগুলো বয়স ২০ থেকে ৫০ বছর। এ ছাড়া রয়েছে কয়েকটি আবাসিক ভবন, কর্মকর্তাদের বাংলো, মিলনায়তন, শ্রমিক কলোনি, মসজিদ, স্কুল ও মাদরাসাসহ যাবতীয় স্থাপনা নিলাম মুল্য ‌ভ্যাটসহ মোট ১কোটি ৬৫ লাখ টাকা বিক্রয় করা হয়েছে । আর এই নিলামের সঠিক মুল্য পাওয়া গেছে জানতে চাইলে নর্থ ওয়েষ্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানীর প্রজেক্ট ম্যানেজার মোঃ এজাজ মামুন বলেন মুল্যটা ৫% থেকে ১০% হের ফের হতে পারে । তবে কোন অনিয়ম বা দূর্ণীতি করা হয়নি । যা করা হয়েছে সেটা নিয়মের মধ্যে থেকেই করা হয়ছে ।

উল্লেখ,সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের ওপর নির্ভর করে ১৯৫৯ সালে খালিশপুর শিল্পাঞ্চলের ভৈরব নদীর তীরে ৮৭ দশমিক ৯৬ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এশিয়ার বৃহত্তম কাগজ কল ‘খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস। মিলের বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ৪৮ হাজার মেট্রিক টন কাগজ । চালুর পর থেকে কারখানাটি লাভজনকভাবে চলছিল। চলতি মূলধন ও ফার্নেস অয়েলের দাম বৃদ্ধির অজুহাতে বিগত জোট সরকারের আমলে ২০০২ সালের ৩০ নবেম্বর নিউজপ্রিন্ট মিলটি সর্বশেষ সাইরেন বাজিয়ে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দির্ঘ সময় বন্ধ থাকায় বর্তমান সরকার নিউজপ্রিন্ট মিলের অভ্যন্তরের অব্যহৃত জমিতে বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মানের উদ্দোগ গ্রহন করে । সেই উদ্দোগ বাস্তবায়নে লক্ষে বিসিআইসির মালিকানাধীন নিউজপ্রিন্ট মিলের জায়গায় হস্তান্তর করা হয় বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মান প্রতিষ্ঠান নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানীর নিকট । বিদ্যুৎ বিভাগের এই বৃহৎ প্রতিষ্ঠা জমি পেয়েই শুরু করেন রূপসা ৮০০ মেঃওঃ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের প্রস্তুতি ।ইতিমধ্যে প্রকল্পের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে মালয়েশিয়ার কারিগরী কনসাল্টেন্ড প্রতিষ্ঠান মেসার্স মিনকনসোল্ট এসডিএন বিএইচডি মালয়েশিয়া। এবং বিদ্যুৎ প্লান্টের গ্যাস সরবরাহের অবকাঠামো কাজ করছেন চীনা প্রতিষ্ঠান চীন পেট্রোলিয়াম পাইপলাইন ইঞ্জিনিয়ারিং সংস্থা লিমিটেড । রূপসা ৮০০ মেঃওঃ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের মুল প্রকল্পের বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্যাকেজ-১ এর আওতায় সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত বিডিং ডকুমেন্ট মূল্যায়ণ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে । এছাড়া প্রজেক্টের ট্রান্সমিশন লাইন অবকাঠামো প্যাকেজ-২ এর জন্য গত ২৪/০২/২০১৯ তারিখে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহবান করা হয়েছে এবং ঐ আন্তর্জাতিক দরপত্র গত ২৯ মে ২০১৯ তারিখে দরপ্রস্তাব উন্মুক্ত করা হয়েছে । খুলনার এই মেঘা বিদ্যুৎ প্রকল্পটি দ্রুত এবং নির্ধারিত সময়ে শেষ হলে বাড়বে নতুন কর্মসংস্থান পুরন হবে দক্ষিণাঞ্চলের বিদ্যুতের চাহিদা । রূপসা ৮০০ মেঃওঃ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের ফলে দেশের সার্ভিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এমনটাই প্রত্যাশা করেন শিল্পাঞ্চলের সাধারন মানুষরা ।

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৩৩,৬১০
সুস্থ
৬,৯০১
মৃত্যু
৪৮০

বিশ্বে

আক্রান্ত
৫,৫০০,৬৭৯
সুস্থ
২,৩০২,০৭০
মৃত্যু
৩৪৬,৭২১
জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা
দিন
:
ঘণ্টা
:
মিনিট
:
সেকেন্ড
Copy link
Powered by Social Snap