
খুলনার বাজারে প্রায় এক মাস ধরে মাছের দাম ঊর্ধ্বমুখী। তবে শাকসবজি ও মাংসের দাম তুলনামূলকভাবে সহনীয় পর্যায়ে থাকায় কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন ক্রেতারা। মাছের বাড়তি দামে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ক্রেতারা।
রোববার (২১ জুন) সকালে খুলনার রূপসা মাছ বাজার, মিস্ত্রিপাড়া বাজার ও গল্লামারি বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।
বাজারে প্রতি কেজি রুই মাছ ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা, কাতলা ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, ছোট চিংড়ি ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা এবং টাকি মাছ ২২০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া তেলাপিয়া ও পাঙাশ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, রূপচাঁদা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা এবং দেশি বড় পুঁটি মাছ ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে সবজি বাজারে বেগুন ও পটোল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ টাকা, কাঁচামরিচ ৮০ থেকে ১০০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, পেঁপে ও মিষ্টিকুমড়া ৪০ টাকা, আলু ২৫ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং রসুন ৭০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।
মুরগির বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা, সোনালি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
রূপসা মাছ বাজারের মোকাম ব্যবসায়ী দবির হোসেন বলেন, বেশি দামে মাছ কিনতে হওয়ায় খুচরা বিক্রেতাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। পরিবহন ব্যয় ও মাছের খাদ্যের দাম বাড়ায় ঘেরের মাছের দাম বেড়েছে। ফলে বাজারে ক্রেতার সংখ্যাও কমে গেছে।
নতুন বাজারের মাছ বিক্রেতা কারিমুল হক বলেন, আড়তদাররা বেশি দামে মাছ বিক্রি করছেন। বিশেষ করে ঘেরের মাছের দাম বেড়ে যাওয়ায় খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে।
মিস্ত্রিপাড়া বাজারের সবজি ব্যবসায়ী জাবেদ মোল্যা বলেন, বর্তমানে বাজারে সবজির সরবরাহ ভালো থাকায় দাম তুলনামূলক কম রয়েছে।
ক্রেতা সবজেল ইসলাম বলেন, মধ্যবিত্ত পরিবারের প্রধান ভরসা মাছ। কিন্তু মাছের দাম এখন অনেক বেশি। ছোট আকারের রুই-কাতলাও ২০০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না। মাছের বাজার নিয়ন্ত্রণে আনার দাবি জানান তিনি।


