সব কিছু
facebook channelkhulna.tv
খুলনা শনিবার , ২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
কাউখালীতে হাট ও বাজারে খাজনা আদায়ের অনিয়মই নিয়ম: সরকারি নির্দেষনা অমান্য | চ্যানেল খুলনা

কাউখালীতে হাট ও বাজারে খাজনা আদায়ের অনিয়মই নিয়ম: সরকারি নির্দেষনা অমান্য

পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুরের কাউখালীতে হাট ও বাজারের খাজনা (টোল) উত্তোলন নিয়ে নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা। করোনাকালীন সময়ে অতিরিক্ত খাজনা এবং জায়গার ভাড়া দিয়ে ব্যবসার ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হিমশিম খাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। একেক জনের কাছ থেকে একেক রকম খাজনা নিচ্ছেন ইজারাদার। কিন্তু খাজনা নিয়ে দিচ্ছেন না কোন রশিদ। সরকারি নিয়ম না থাকলেও একই হাট-বাজারে সাব ইজারা দিয়েছেন ইজারাদার।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে সরকার নির্ধারিত খাজনা থেকে কয়েকগুন বেশি টাকা তোলা হচ্ছে খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়িদের কাছ থেকে। চাহিদামত খাজনা না দিলে করছেন মারধোরও। ইজারাদার দিচ্ছেন না কোন খাজনা আদায়ের রশিদ। পুরো বাজারে কোথাও নেই সরকার নির্ধারিত খাজনার আদায়ের চার্ট। দুরদুরান্ত থেকে আসা খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তোলা হচ্ছে অধীক টাকা। ফলে দির্ঘ বছরের ঐতিহ্যবাহী পিরোজপুরের কাউখালীর হাট ইজারাদারের কবলে পড়ে হারাতে বসেছে তার ঐতিহ্য। এনিয়ে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন মহলে অভিযোগ তুলেও পাচ্ছেননা কোন প্রতিকার।
এ কারনে ব্যবসার পাঠ চুকাতে বাধ্য হচ্ছেন অনেকেই। এ ব্যপারে মাছ ব্যবসায়ী মোহাম্মদ সোহেল বলেন, চটে বসে জায়গার ভাড়া দিয়েই মাছ বিক্রি করি। বেচা-কেনার শুরুতেই ইজারাদারের লোকজন দেড়শ থেকে দুইশত টাকা খাজনা বাবদ নেয়। কিন্তু নিয়মিত খাজনা দিচ্ছি আজ পর্যন্ত কোন রশিদ পাই নাই। অপর মাছ ব্যবসায়ী আব্দুল জলিল বলেন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আমাদের কাছ থেকে একই রেটে খাজনা নেয়ার বিধান থাকলেও ইজারাদারের লোকজন একেকজন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে একেক রকম খাজনা তোলেন। আমরা বহুবার আবেদন করেছি যে বাজারে সরকারি চার্ট টানিয়ে দেয়া হোক। কিন্তু খারাপ ব্যবহার ছাড়া আমরা এর কোন প্রতিকার পাইনি। ব্যবসায়ী মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম বলেন, ঐতিহ্যবাহী এই বাজারের খাজনা আদায়ের কোন নিয়ম কানুন নাই। ব্যবসায়ীদের সুরক্ষার কোন ব্যবস্থা নাই। রোদ-বৃষ্টিতে খোলা আকাশের নিচে কর্দমাক্ত মাটিতে বসে ব্যবসা করতে হয়। কিন্তু খাজনায় কোন মাফ নাই। সরকারি রেটের নিয়ম ৭ টাকা। কিন্তু নিচ্ছে ৫০ থেকে ৩০০টাকা পর্যন্ত। এমনকি অন্য এলাকার বাড়ির গাছ বিক্রি করলেও সেই বাড়ি গিয়ে তারা খাজনা আদায় করেন। পাইকারি বিক্রেতা মিলটন তালুকদার বলেন তারা যা চায় আমরা তা দিতে বাধ্য। না দিলে গলা ধাক্কা দেয়। ব্যবসায়ী মোহাম্মদ খচরু অভিযোগ করে বলেন, হাট-বাজার ইজারা দরপত্রেই ৭নং শর্তাবলিতে উল্লেখ আছে সরকার অনুমোদিত টোল আদায়ের হার দোকান প্রতি মাত্র ৭টাকা। কিন্তু ইজারাদার বোঝান শতকরা ৫ টাকা হারে খাজনা দিতে হবে। অথচ ৭নং শর্তাবলীর এটা বিপরীত। এ ব্যপারে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ইজারাদার শাহ আলম নসু বলেন,আমি ইজারাদার হিসেবে নতুন। শতকরা ৫টাকা হারে খাজনা দেয়ার বিধান রয়েছে। সে অনুযায়ী একজন খুচরা ব্যবসায়ী প্রতি হাটে কম করে হলেও ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা বিক্রি করেন। সে অনুপাতে খাজনা আদায় হচ্ছে না। শতকরা দুই থেকে আড়াই টাকা নেয়া হয়। বিষয়টি পুরোপুরি বুঝে স্থানীয় গণ্যমান্যদের নিয়ে বসে নতুন ভাবে খাজনা আদায়ের কৌশল নির্ধারন করবো।
হাট-বাজার ইজারা দেয়ার কর্তৃপক্ষ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা: খালেদা খাতুন রেখা অভিযোগ ও অনিয়মের কথা স্বীকার করে বলেন, আমি ইতিমধ্যে ব্যবসায়ী ও ইজারাদারদের সাথে বসেছি। সরকার নির্ধারিত খাজনা উল্লেখ করে বাজারে চার্ট টানিয়ে দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছি। খাজনার রশিদ প্রদানের নিয়ম করার নির্দেশ দিয়েছি। বাজারের পরিবেশ সুন্দর করার জন্য কয়েকটি প্রকল্প হাতে নিয়েছি। আবহাওয়ার পরিবর্তন হলে কাজ শুরু করবো।

https://channelkhulna.tv/

সারাদেশ আরও সংবাদ

গুলিতে আহত সেই স্কুলছাত্রীর মৃত্যু, শোকে স্তব্ধ পরিবার

গ্রেপ্তারের ভয়ে ইয়াবা গিলে ফেললেন যুবক, গুরুতর অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ

ওমানে গাড়ির ভেতর থেকে প্রবাসী চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার

একাত্তরের বীরাঙ্গনা টেপরী রাণী মারা গেছেন

পড়া না পারায় ছাত্রকে পিটিয়ে আহত করলেন শিক্ষক

বরিশালের হাসপাতালগুলো দালালমুক্ত করতে অভিযান

চ্যানেল খুলনা মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন  
সম্পাদক: মো. হাসানুর রহমান তানজির
It’s An Sister Concern of Channel Khulna Media
© ২০১৮ - ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | চ্যানেল খুলনা.বাংলা, channelkhulna.com.bd, channelkhulna.bd
যোগাযোগঃ ৫ কেডিএ বানিজ্যিক এলাকা, আপার যশোর রোড, খুলনা।
প্রধান কার্যালয়ঃ ৫২/১, রোড- ২১৭, খালিশপুর, খুলনা।
ফোন- 09696-408030, 01704-408030, ই-মেইল: channelkhulnatv@gmail.com
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য অধিদফতরে অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।